
নিজস্ব প্রতিবেদক, পাংশা:
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় এক তরুণীকে (৩২) জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাংশা মডেল থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার দ্বিতীয় আসামি কসমেটিকস ব্যবসায়ী রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে (৪০) গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত রাশেদ পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে এবং পাংশা শহরের দত্ত মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৩০ মার্চ) ব্যক্তিগত কাজে কুষ্টিয়া থেকে পাংশায় আসেন ওই তরুণী। কাজ শেষে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়া ফেরার উদ্দেশ্যে মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে আসা তিন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর উপজেলার কুলটিয়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাইক্রোবাসে ঘুরিয়ে চলন্ত গাড়িতেই তাকে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করা হয়। রাত ৭টার দিকে অভিযুক্তরা তাকে কুষ্টিয়া সদরের একটি নির্জন স্থানে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
মামলায় অভিযুক্ত অপর দুই আসামি হলেন— পাংশার কুলটিয়া এলাকার হাসিবুর রহমান অন্তর (৩২) এবং পারনারায়ণপুর গ্রামের বরকত মুন্সী (৩৪)। জানা গেছে, প্রধান আসামি অন্তরের সাথে ভুক্তভোগীর আগে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের মধ্যে পাওনা টাকা সংক্রান্ত একটি মামলা বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”