
বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডারের বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন, বৃক্ষরোপণ ও দুর্গম পাড়াবাসীর মাঝে ‘চাঁদের গাড়ি’ হস্তান্তর
স্টাফ রিপোর্টার : মুহাম্মদ সালাহ্ উদ্দীন
আলীকদম (বান্দরবান)
বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) বান্দরবানের দুর্গম বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম, পিএসসি, অধিনায়ক, ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (The Majestic Tigers), আলীকদম সেনানিবাস।
নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় রিজিয়ন কমান্ডার বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পে আগমন করেন। পরে তিনি প্রাতা পাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি ২৪ কিলো টিওবি এবং ১৯ কিলো টিওবির প্রত্যাহারকৃত স্থান পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের অগ্রগতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন।
পরিদর্শন শেষে রিজিয়ন কমান্ডার কাইতন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি স্থানীয় পাড়াবাসী, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় দুর্গম পার্বত্য এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে পাড়াবাসীর মাঝে দুটি ‘চাঁদের গাড়ি’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (The Majestic Tigers), আলীকদম সেনানিবাসের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় যানবাহন দুটি প্রস্তুত করা হয়। পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি পাড়াবাসীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে গাড়ি দুটি তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে অতিথিবৃন্দ স্মারক আলোকচিত্রে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় রিজিয়ন কমান্ডার কাইতন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন এবং সেখানে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।
সফলভাবে নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পন্ন করে রিজিয়ন কমান্ডার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে, বান্দরবান সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন