
মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিশেষ করে উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ১৩ নং তন্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আসন্ন এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও তরুণ সমাজনেতা সাঈদ হোসেন মিন্টু। তিনি তন্তর ইউনিয়নের সাবেক সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিদ্দিক বেপারী সাহেবের কনিষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক ঐতিহ্য, সততা ও জনসেবার ব্রত নিয়ে তিনি আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন, যা পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
পারিবারিক ঐতিহ্য ও যোগ্য উত্তরসূরি: তন্তর ইউনিয়নের প্রবীণ রাজনীতি ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, আলহাজ্ব সিদ্দিক বেপারী ছিলেন তন্তর ইউনিয়নের একজন অভিভাবক ও সফল চেয়ারম্যান। তার শাসনামলে ইউনিয়নে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের আপদে-বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছিল। বাবার সেই জনকল্যাণমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং তন্তর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন তার কনিষ্ঠ পুত্র সাঈদ হোসেন মিন্টু। যোগ্য বাবার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে এলাকার মানুষও তাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে।
মাঠ পর্যায়ে “অদম্য” গণসংযোগ ও গণজোয়ার: নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রার্থী হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই মাঠে “অদম্য” গতিতে কাজ করছেন সাঈদ হোসেন মিন্টু। তিনি তন্তর ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া, মহল্লা, হাট-বাজার এবং প্রত্যন্ত ওয়ার্ডে দিন-রাত নিরলসভাবে চষে বেড়াচ্ছেন। তীব্র রোদ কিংবা বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তিনি সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন, তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং আগামী দিনে ইউনিয়নের উন্নয়নে তাদের পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করছেন। ভোটারদের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হতে তিনি নিয়মিত উঠান বৈঠক, পথসভা এবং মতবিনিময় সভার আয়োজন করছেন। তার এই বিনয়ী আচরণ ও গণসংযোগ সাধারণ ভোটারদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।
জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া ও বাবার আমলের স্মৃতিচারণ: নিজের নির্বাচনী ভাবনা ও গণসংযোগ প্রসঙ্গে সাঈদ হোসেন মিন্টু জানান, “আমি প্রতিটি এলাকায়, প্রতিটি ঘরে গিয়ে জনগণের যে ভালোবাসা ও অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি, তা আমাকে সত্যি আবেগাপ্লুত করেছে। তন্তর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ আজও আমার মরহুম বাবার আমলের উন্নয়ন, সততা এবং মানুষের প্রতি তার ভালোবাসার কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছেন। তারা বাবার সেই সোনালী দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে চান এবং আমাকে সাধুবাদ জানিয়ে আগামী নির্বাচনে পূর্ণ সমর্থন ও দোয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন। আমি নির্বাচিত হতে পারলে বাবার নামের মর্যাদা রক্ষা করব এবং জনগণের আমানতের খেয়ানত করব না।”
মাঠে নেমেছে যুবসমাজ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ: এদিকে সাঈদ হোসেন মিন্টুর পক্ষে মাঠ পর্যায়ে জোরালো ও সুসংগঠিত প্রচারণায় নেমেছেন এলাকার সর্বস্তরের যুবসমাজ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তরুণ এই প্রার্থীর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, উচ্চশিক্ষা এবং সমাজ পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকারে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুবসমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দল-মত নির্বিশেষে তার পক্ষে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। স্থানীয় তরুণ ভোটারদের মতে, তন্তর ইউনিয়নের তরুণদের কর্মসংস্থান, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন এবং খেলাধুলার পরিবেশ তৈরিতে সাঈদ হোসেন মিন্টুর কোনো বিকল্প নেই।
অন্যদিকে, এলাকার প্রবীণ মুরুব্বি ও সমাজসেবকরা মনে করছেন, যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান হিসেবে সাঈদ হোসেন মিন্টু নির্বাচিত হলে তন্তর ইউনিয়নে উন্নয়নের গতিধারা আরও বহুগুণ বেগবান হবে। কোনো প্রকার বৈষম্য ও দুর্নীতি ছাড়াই সরকারি সকল অনুদান সরাসরি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে। তার হাত ধরেই তন্তর ইউনিয়ন মুন্সিগঞ্জ জেলার মধ্যে একটি আদর্শ ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপান্তরিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে মিন্টু: নির্বাচনকে সামনে রেখে তন্তর ইউনিয়নের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন নতুন উদ্দীপনা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সাঈদ হোসেন মিন্টু। ভোটারদের মুখে মুখে এখন তারই নাম। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক পরিচিতি, নিজস্ব পরিচ্ছন্ন ইমেজ এবং যুবসমাজের জোরালো সমর্থনের কারণে জনপ্রিয়তার দৌড়ে সাঈদ হোসেন মিন্টু বর্তমানে অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে তন্তর ইউনিয়নবাসী একজন তরুণ ও দূরদর্শী নেতাকে নিজেদের অভিভাবক হিসেবে পেতে মুখিয়ে আছেন।