
লৌহজংয়ে ইলিশ এক্সপ্রেস বাসের চাপায় যুবক নিহত চালক আটক পুলিশ হেফাজতে ১৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার
আবু বকর সিদ্দিক:-মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মালির অংক বাজার এলাকায় ইলিশ এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাসের চাপায় কালু (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।রবিবার (২ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত কালু মৃত নুর আলম হোসেনের ছেলে।তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি লৌহজং উপজেলার ঢুলুগাঁও গ্রামে বেড়ে ওঠেন।মা-বাবা না থাকায় ঢুলুগাঁও গ্রামের একটি পরিবার তাকে নিজেদের সন্তানের মতো লালন-পালন করে বলে স্থানীয়রা জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য,দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা বাসটি থামিয়ে চালককে আটক করে গণপিটুনি দেয়।
পরে খবর পেয়ে লৌহজং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালককে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়,হেফাজতে নেওয়ার সময় চালক লিটন শেখের কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক লিটন শেখ (৪২) শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা হারুন শেখের ছেলে।তিনি ইলিশ এক্সপ্রেস পরিবহনের চালক।দুর্ঘটনাকবলিত বাসটির নিবন্ধন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-১০৬২।দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় কালুকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয়রা সড়কে নিরাপত্তা জোরদার এবং বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।এ বিষয়ে লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বোরহান উল ইসলাম বলেন,আটক চালক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।তিনি জানান,নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।পুলিশ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বিষয়ে পৃথকভাবে তদন্ত করছে।