
মোঃ শাহিন হোসেন সদর উপজেলা প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল গড় ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিশেষ করে ৩ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন থেকেই পুরোদমে মাঠে নেমে পড়েছেন। জনসংযোগ, উঠান বৈঠক আর সাধারণ মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং আসন্ন নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান জানান দিয়ে মাঠে জোরেশোরে নেমেছেন ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: আলী হোসেন। আসন্ন নির্বাচনে ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে মো: আলী হোসেন ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন। তার এই প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই ৩ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে, দেওয়ালে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মো: আলী হোসেনের ছবি সংবলিত নির্বাচনী পোস্টার (যেমন: “200803.jpg”) ও ডিজিটাল ব্যানার শোভা পাচ্ছে। এই প্রচারণামূলক পোস্টারের মাধ্যমে তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের খেটে খাওয়া মানুষ, যুবক ও সচেতন সমাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দিচ্ছেন। একই সাথে তিনি অত্যন্ত বিনম্রতার সাথে ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, সহযোগিতা ও পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন। আলী হোসেনের এই সুসজ্জিত পোস্টার ও গণসংযোগ ইতিমধ্যে সাধারণ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।
নির্বাচনী মাঠে নিজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে মেম্বার পদপ্রার্থী মো: আলী হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, “আমি কোনো ক্ষমতার লোভে বা ব্যক্তিগত স্বার্থে নির্বাচনে আসিনি। আমি আমার ৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ, অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকে আজীবন সেবা করতে চাই। জনপ্রতিনিধি না হয়েও আমি দীর্ঘদিন ধরে সাধ্যমতো মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছি। এবার এলাকাবাসীর জোরালো দাবি, দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে সরাসরি অংশগ্রহণ করছি। আমি বিশ্বাস করি, জনগণ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবে। তিনি আরও বলেন, ৩ নং ওয়ার্ডের অনেক এলাকায় এখনো রাস্তাঘাটের সমস্যা রয়েছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব রয়েছে এবং সামাজিক কিছু অসংগতি রয়েছে। আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি, তবে স্থানীয় সর্বস্তরের ভোটারদের মতামতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নিজের ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ, সমৃদ্ধ, উন্নত, মাদকমুক্ত ও আধুনিক ডিজিটাল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব।
নির্বাচনী আমেজ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মো: আলী হোসেনের এই ধারাবাহিক গণসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় স্থানীয় সাধারণ ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। ৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, চা দোকান এবং বাজারে এখন তাকে নিয়েই চলছে মূল আলোচনা। তৃণমূলের ভোটাররা বলছেন, আলী হোসেন যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাই সাধারণ মানুষের সাথে তার একটি আত্মিক যোগাযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও একজন দানশীল ও সদালাপী মানুষ হিসেবে এলাকায় তার আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। ওয়ার্ডের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার এমন সৎ উদ্যোগ, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও যুবসমাজ।
ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন প্রবীণ বাসিন্দা জানান, মেম্বার হিসেবে এমন একজনকে প্রয়োজন যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বরং সারা বছরই জনগণের বিপদে-আপদে পাশে থাকবেন। আলী হোসেনের অতীত কর্মকাণ্ড এবং জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা প্রশংসনীয়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট অনুষ্ঠিত হয়, তবে ৩ নং ওয়ার্ডে মো: আলী হোসেন একজন শক্তিশালী ও অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হবেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নির্বাচনের তারিখ যত ঘনিয়ে আসছে, ৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের মাঝে কৌতূহল ও উদ্দীপনা ততই বাড়ছে। তবে আলী হোসেনের কর্মী-সমর্থকরা ইতিমধ্যেই মাঠপর্যায়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন এবং প্রতিটি ভোটারের ঘরে ঘরে গিয়ে আলী হোসেনের সালাম ও দোয়া পৌঁছে দিচ্ছেন। মেম্বার পদপ্রার্থী মো: আলী হোসেনও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এবং তিনি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।