1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
উলিপুরে নাব্যতা হারিয়ে ধুধু বালুচর ব্রহ্মপুত্র নদী। - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে ছাত্র পরিচয়ের আড়ালে ত্রাস সাংবাদিকদের হুমকিদাতা আনাসের নেপথ্যে আওয়ামী লীগ পন্থী জমির দালাল নাজমুল, থানায় জিডি শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিজি’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনা কলমাকান্দার কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এজমল হোসেন পাইলট। মনপুরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ৫ বছরের শিশুর অকাল মৃ ত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া শুধু জরিমানা নয়, সেনবাগ বাজারের ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত করার দাবি সচেতন মহলের হবিগঞ্জে আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে  সংবাদ সম্মেলন হবিগঞ্জে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত, আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষায়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে শিবচরে গ্রাহকদের মানববন্ধন ঘাটাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার: কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল আমিনুলের মরদেহ, আটক ৫

ভিডিও সংবাদ 👇👇

উলিপুরে নাব্যতা হারিয়ে ধুধু বালুচর ব্রহ্মপুত্র নদী।

লতিফুল নয়ন ফারাজী,উলিপুর,কুড়িগ্রাম
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

 

জল শুকিয়ে যাওয়ায় কড়ালগ্রাসী খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র নদ বর্তমানে ধু ধু বালুচরে পরিনত হয়েছে। এ নদে বর্ষা কালে পানি প্রবাহের যে কল কল ধ্বনি ছিল, তা এখন আর নেই। দেখে মনে হয় যেন ছোটÍ একটি মরা খাল। চারিদিকে ধুধু বালুচর আর চর।অনেক স্থান এখন আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। মুল নদেও দেখা দিয়েছে নাব্যতা সংকট। নদের গতি পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ায় নাব্যতা সংকটে নৌপথে চলা ফেরি ও নৌকা প্রায়ই আটকে পড়ছে। সময়মতো এবং সঠিকভাবে নদ ড্রেজিং না করায় নাব্যতা সংকটসহ মরা খালে পরিণত হচ্ছে কড়াল গ্রাসী খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র নদ বলে সচেতন মহলের অভিযোগ। নদীতে নাব্যতা না থাকায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ডিঙি নৌকা চলাচল করতেও বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। যে পরিবারগুলো এক সময় মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতো, মুল পেশা হারিয়ে তারা আজ দিনমজুরসহ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত। এতে চরগুলোয় বসবাসকারী মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।নদের এই অবস্থার কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষিতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।ক্ষতির মুখে পড়েছে পরিবেশ-প্রতিবেশ। নদের নাব্যতা কমে যাওয়ায় বেশী দুরত্বের চর সমুহে বসবাসকারী মানুষ সহজে হাট-বাজার করতে না পারায় বিপাকে পড়েছে তারা।

সরেজমিনে ব্রহ্মপুত্র পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। আর এর মাধ্যমে একটি মহল হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। যত্রতত্র শ্যালো মেশিন চালিত ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে তোলা হচ্ছে বালু। ফলে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্প এখন হুমকির মুখে। অপরদিকে সঠিকভাবে ড্রেজিংয়ের অভাবে ব্রহ্মপুত্র নদ নাব্যতা হারিয়ে এখন শুধুই বালুচর। শুকিয়ে যাওয়া চরের কোথাও কোথাও ফলানো হচ্ছে বিভিন্ন রকম শাক-সব্জি ও ফসল।

ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন চিলমারী ইউনিয়নের মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ব্রহ্মপুত্র যে কড়াল গ্রাসী ও খরস্রতা একটি নদ তা শুধু বর্ষা মৌসুমেই বোঝা যায়।আর বর্ষা শেষ হলে মাইলের পর মাইল শুধু চর আর চর।Advertisementব্রহ্মপুত্র নদের তীরে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী জোড়গাছ হাট ব্যবসায়ি মমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন (চিলমারী,নয়ারহাট ও অষ্টমীরচর ইউনিয়ন) ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিভাজিত। ইউনিয়ন তিনটির অর্ধলক্ষাধিক মানুষকে তাদের উৎপাদিত পন্য বিক্রিসহ বাজার-ঘাট করতে সপ্তাহে দুদিন জোড়গাছ হাটে আসতে হয়। নদে নাব্যতা না থাকায় অনেকদুর পথ হেটে অতি কষ্টে তাদের বাজার করতে জোড়গাছ হাটে আসতে হয়।অপরদিকে ওই চরাঞ্চল সমুহে উৎপাদিত পণ্যের পরিবহণ ব্যয় বেড়েছে কয়েক গুন।

তেল ব্যবসায়ী ফরহাদ আলী বলেন, চরাঞ্চলীয় এলাকায় নেয়ার জন্য নৌকা পর্যন্ত আনতে আগে এক ড্রাম তেলের ভাড়া ছিল ২০টাকা। নদের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে এক ড্রাম জ্বালানী তেল নৌকা পর্যন্ত আনতে পরিবহণ ব্যয় হচ্ছে ১০০টাকা।

নদের নাব্যতা কমে যাওয়ায় চিলমারী থেকে রৌমারী ও রাজিবপুর যেতে ফেরি এবং নৌকায় ঝুকি নিয়ে দ্বিগুনেরও বেশী সময় ধরে পার হতে হচ্ছে। এতে যাত্রীদের সময় এবং আর্থিক ব্যয় দুটোই বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী এলাকা সমুহে ২হাজারের বেশী মৎস জীবি মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। নদের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় তারা মাছ ধরতে না পেরে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

মাঝিপড়া এলাকার ফুলেল মাঝি, সুকুমার রায় সহ অনেকে জেলে জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ এখন মরা নদি। এখানে কোনো মাছ নেই। সারা দিন জাল ফেলে ২০-৩০ টাকার মাছও পাওয়া যায় না। তাই জেলে পরিবারগুলো বড় কষ্টে আছে। মাছ না থাকায় পেশা ছেড়ে অনেকে দেশের বিভিন্ন শহরে রিকশা চালান, কেউ দোকানে, কেউবা মাটি কাটার কাজ করছেন। নদীতে পানি নেই এটাতো আর পেট বোঝেনা প্রতিদিন খাইতে হয়। পেটে খাওন দিতে আমাদের ধার দেনা এবং ব্যাংক ঋণ করতে হচ্ছে।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি শুকিয়ে নাব্যতা সংকট দেখা দেয়ায় ব্যবসায়-বাণিজ্য কিংবা চলার পথে নানাবিধ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদকে পরিকল্পিত ভাবে খনন করা হলে নদটি এলাকাবাসীর আশির্বাদ হয়ে থাকতো। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হলে উপকৃত হবে চরাঞ্চলীয় মানুষসহ গোটা উপজেলার লোকজন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট