1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে চমক খুদে বিজ্ঞানী আইদানের - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিরোজপুর জেলার ফিলিং স্টেশনের তদারকিতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ফেনী জেলা পরিষদে নতুন নেতৃত্ব: প্রফেসর এম এ খালেকের নিয়োগে উচ্ছ্বাস, উন্নয়নের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা শান্তিগঞ্জের পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান শান্তিগঞ্জের পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর খাদেম হতে চান আব্দুল্লাহ আল-নোমান নতুন উদ্যমে শাজাহানপুর থানা: তদন্তে দায়িত্ব নিলেন আকরাম আলী নান্দাইল পৌরসভার চন্ডিপাশা আর্দশ পল্লীতে জলাবদ্ধতা: জনজীবনে চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতারন পদ্মায় ৪৩ ঘণ্টা পর মিলল এসএসসি পরীক্ষার্থী আরাফাতের নিথর দেহ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায় জোরদারে প্রশাসকের নির্দেশনা পে স্কেল দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা।

ভিডিও সংবাদ 👇👇

১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে চমক খুদে বিজ্ঞানী আইদানের

নিজস্ব প্রতিবেদক,
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিস্ময়কর এক খবর এখন বিশ্বজুড়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। পারমাণবিক শক্তির অসাধ্য সাধন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস শহরের মাত্র ১২ বছর বয়সি এক খুদে শিক্ষার্থী— আইদান ম্যাকমুলেন। নিজের ঘরে বসেই সফলভাবে পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে সে প্রমাণ করেছে যে, মেধা আর অদম্য ইচ্ছা থাকলে বয়সের বাধা কোনো বাধা নয়।


দীর্ঘ প্রস্তুতির ফসল এই সাফল্য

আইদানের এই অবিশ্বাস্য যাত্রার শুরু মাত্র আট বছর বয়স থেকে। হুট করেই এই প্রকল্পে হাত দেয়নি সে। সরাসরি যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার আগে টানা দুই বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা (Nuclear Physics) অধ্যয়ন করেছে আইদান। বিজ্ঞানের এই জটিল শাখাটির গভীরে গিয়ে তত্ত্বীয় জ্ঞান অর্জনের পরই সে ব্যবহারিক কাজের ঝুঁকি গ্রহণ করে।

নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ ও মায়ের দুশ্চিন্তা

এমন একটি সংবেদনশীল প্রজেক্টে কাজ করা আইদানের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। বিশেষ করে নিরাপত্তার বিষয়ে তার মায়ের দুশ্চিন্তা দূর করা ছিল সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রকল্প চলাকালীন তার মা বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি বা সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়ে সতর্ক করতেন। তবে সকল নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজের লক্ষ্য অর্জনে অবিচল ছিল এই খুদে বিজ্ঞানী।

শৈশবের কৌতূহল যখন বৈজ্ঞানিক বিপ্লব

আইদান জানিয়েছে, তার এই সাফল্যের পেছনে মূল শক্তি ছিল শৈশবের অদম্য কৌতূহল এবং কঠোর পরিশ্রম। কয়েক বছরের নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার ফলে অবশেষে সে তার এই বৈজ্ঞানিক প্রকল্পে সফল হয়। তার এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।


“আমি যখন আট বছর বয়স থেকে এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি, তখন অনেকেই বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। কিন্তু আমি জানতাম, কঠিন অধ্যবসায় থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।” — আইদান ম্যাকমুলেন

আইদানের এই চমকপ্রদ আবিষ্কার আগামী দিনে শক্তি উৎপাদনের নতুন কোনো দিগন্ত উন্মোচন করবে কিনা, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় বিজ্ঞান সমাজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট