1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে চমক খুদে বিজ্ঞানী আইদানের - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাপাহারে আম বিপণন ও বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীতে চারা রোপণ জবই বিলে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত বাসাইলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বাসাইলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বাসাইলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বৃষ্টিস্নাত সকালে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পৌঁছে বিমানবন্দর থেকেই নিজ হাতে গাড়ির স্টিয়ারিং ধরেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন। টাঙ্গাইল সদরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান, ৩ জনকে কারাদণ্ড শ্রীপুর মডেল থানা মা দ ক দ্রব্য উ দ্ধা র অভিযান পরিচালনা করে একজন আ সা মী ধরেন পুলিশ।

ভিডিও সংবাদ 👇👇

১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে চমক খুদে বিজ্ঞানী আইদানের

নিজস্ব প্রতিবেদক,
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিস্ময়কর এক খবর এখন বিশ্বজুড়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। পারমাণবিক শক্তির অসাধ্য সাধন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস শহরের মাত্র ১২ বছর বয়সি এক খুদে শিক্ষার্থী— আইদান ম্যাকমুলেন। নিজের ঘরে বসেই সফলভাবে পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে সে প্রমাণ করেছে যে, মেধা আর অদম্য ইচ্ছা থাকলে বয়সের বাধা কোনো বাধা নয়।


দীর্ঘ প্রস্তুতির ফসল এই সাফল্য

আইদানের এই অবিশ্বাস্য যাত্রার শুরু মাত্র আট বছর বয়স থেকে। হুট করেই এই প্রকল্পে হাত দেয়নি সে। সরাসরি যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার আগে টানা দুই বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা (Nuclear Physics) অধ্যয়ন করেছে আইদান। বিজ্ঞানের এই জটিল শাখাটির গভীরে গিয়ে তত্ত্বীয় জ্ঞান অর্জনের পরই সে ব্যবহারিক কাজের ঝুঁকি গ্রহণ করে।

নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ ও মায়ের দুশ্চিন্তা

এমন একটি সংবেদনশীল প্রজেক্টে কাজ করা আইদানের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। বিশেষ করে নিরাপত্তার বিষয়ে তার মায়ের দুশ্চিন্তা দূর করা ছিল সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রকল্প চলাকালীন তার মা বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি বা সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়ে সতর্ক করতেন। তবে সকল নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজের লক্ষ্য অর্জনে অবিচল ছিল এই খুদে বিজ্ঞানী।

শৈশবের কৌতূহল যখন বৈজ্ঞানিক বিপ্লব

আইদান জানিয়েছে, তার এই সাফল্যের পেছনে মূল শক্তি ছিল শৈশবের অদম্য কৌতূহল এবং কঠোর পরিশ্রম। কয়েক বছরের নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার ফলে অবশেষে সে তার এই বৈজ্ঞানিক প্রকল্পে সফল হয়। তার এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।


“আমি যখন আট বছর বয়স থেকে এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি, তখন অনেকেই বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। কিন্তু আমি জানতাম, কঠিন অধ্যবসায় থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।” — আইদান ম্যাকমুলেন

আইদানের এই চমকপ্রদ আবিষ্কার আগামী দিনে শক্তি উৎপাদনের নতুন কোনো দিগন্ত উন্মোচন করবে কিনা, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় বিজ্ঞান সমাজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট