মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
Title :
দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, সার ব্যবস্থাপনা আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কর্মঘণ্টায় তালাবদ্ধ ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউএনওর আকস্মিক পরিদর্শন মুন্সীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা বিধবার জমি দখলের অভিযোগ স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে নাজিরপুর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতির ঘের দখলের চেষ্টা নাজিরপুর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতির ঘের দখলের চেষ্টা শান্তিগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ডুমুরিয়া বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্যপক্ষ ২০২৬ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে মৎস্য চাষি ছাড়াই মৎস্য পক্ষ উদযাপন ২০২৬ ভূমিমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার পেলেন উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ মৎস্য খামারি গোলাম সাকলায়েন

রেক্সিমকোর কীটনাশক ব্যবহারে পেঁয়াজের ক্ষতির অভিযোগ: কৃষকের ক্ষতিপূরণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

  • Update Time : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৯২ Time View

রেক্সিমকোর কীটনাশক ব্যবহারে পেঁয়াজের ক্ষতির অভিযোগ: কৃষকের ক্ষতিপূরণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

 

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শানপুকুরিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী এবং রেক্সিমকো ইনসেকটিসাইডস লিমিটেডের অনুমোদিত ডিলার মো. খলিলুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং নিজের ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এ সময় তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘মেসার্স তুহিন এন্ড তানভীর এন্টারপ্রাইজ’-এর মাধ্যমে রেক্সিমকো ইনসেকটিসাইডস লিমিটেডের কৃষি উপকরণ বিক্রি করে আসছেন। গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি কোম্পানি থেকে ‘ম্যাজিক ১০ ইসি (সাইপারমেথ্রিন)’ ১০০ মিলিলিটারের ২৪ বোতল এবং ‘কাবোর্জিম ৫০ ডব্লিউপি’ (১০০ গ্রাম) ২৪ প্যাকেট ক্রয় করেন। পরে তার নিয়মিত ১২ জন কৃষক মোট সাত বিঘা পেঁয়াজ ক্ষেতে কাবোর্জিম ৫০ ডব্লিউপি ব্যবহার করেন। তার দাবি, স্প্রে করার কয়েক দিনের মধ্যেই পেঁয়াজ গাছের শিকড় পচে যেতে শুরু করে এবং ব্যাপক ফসলহানির ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের অভিযোগের পর কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবহৃত ছত্রাকনাশকের নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেন। এরপর রেক্সিমকো ইনসেকটিসাইডস লিমিটেডের নাটোর জোনাল অফিসের এরিয়া ম্যানেজার মো. হাফিজুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে তিনি প্রতি বিঘায় ৬০ হাজার টাকা হিসেবে মোট ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার অঙ্গীকার করে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। পাশাপাশি কোম্পানির পক্ষ থেকে ওই অর্থ ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পরিশোধ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন বলে দাবি করা হয়।
তবে পরে কোম্পানির ওই কর্মকর্তা অবস্থান পরিবর্তন করে গত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে খলিলুর রহমানের নামে একটি আইনজীবীর নোটিশ পাঠান। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা স্বেচ্ছায়, সুস্থ মস্তিষ্কে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপস্থিতিতেই অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেছিলেন। এ ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষ সাক্ষীও রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যেমন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন, তেমনি একজন অনুমোদিত ডিলার হিসেবে তার ব্যবসার সুনাম, আর্থিক অবস্থা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিকভাবে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
সবশেষে তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে কোনো কৃষক বা ব্যবসায়ী যেন এ ধরনের ঘটনার শিকার না হন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews