
জুলাইকে চাইলেও কেন ডিফেইম করা সম্ভব নয় জুলাইয়ে ঘটিত সব অপরাধের ডিজিটাল ডকুমেন্টস আছে হাজার হাজার ভিডিও ও ছবি আছে
নাম: মোঃ খাইরুল ইসলাম শ্রীপুর উপজেলার প্রতিনিধি গাজীপুর
জুলাইকে চাইলেও কেন ডিফেইম করা সম্ভব নয়? তার কারণ হচ্ছে জুলাই এমন এক যুগে ঘটেছে, যে যুগে জুলাইয়ে ঘটিত সব অপরাধের ডিজিটাল ডকুমেন্টস আছে। হাজার হাজার ভিডিও ও ছবি আছে, যেগুলো চাইলেও ডিলিট করে ফেলা সম্ভব নয়।
এছাড়াও জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃত দলিল আছে। জুলাইয়ে লড়াই করা বেশিরভাগ ছেলে-মেয়েরা কিশোর-কিশোরী। এদের হায়াত থাকতে এরা জুলাইতে ঘটিত নৃশংসতা ভুলবে না।
বর্তমান মিডিয়াগুলোর ডিজিটাল সংস্করণে সংরক্ষিত আছে স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত নেতা, পুলিশ, আমলাদের বক্তব্য।
পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ও সেনাবাহিনীর কিছু অংশ, এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের-যুবলীগের গুলি করা ও মানুষ কুপানোর দৃশ্য। সব কিছুই অনলাইনে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
পুলিশের এপিসি থেকে ফেলে দেওয়া শহীদ ইয়ামিনের নিথর দেহ, এখনও মানুষের চোখের সামনে ভাসে।
পুলিশ ফাঁড়ির সামনে লাশসহ পুড়িয়ে দেওয়া ভ্যান, পুলিশের ছেলেকেই তার বন্ধু বাঁচাতে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো, পয়েন্ট ব্ল্যাংক থেকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করার দৃশ্য। বিল্ডিংয়ের সামনে ঝুলন্ত অবস্থায় গুলি করার দৃশ্য—এসব চাইলেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়। আরো কত ঘটনা সব এক পোস্টে বর্ণনা করাও সম্ভব নয়।
নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। ক্ষমতায় থাকতে দাম্ভিকতায় ভুগছিলো, পতন হওয়ার পরও তারা ভুল-শুদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করতে পারছে না।
পতন হওয়ার পর তাদের যা প্রাপ্য ছিলো, সেটাও তারা ফেরত পায়নি। এবং তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা, তারা এখনো দাম্ভিকতায় ভুগছে।
তারা ভাবছে যে, ‘৭১ বিক্রি করে আবারো ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবে। ক্ষমতার জোরে মিথ্যা দিয়ে জুলাইকে কলঙ্কিত করে ফেলতে পারবে। তারা অনেক বড় ভুলের সাগরে এখনো বসবাস করছে।
‘৭১ এই জাতির পরিচয়, কিন্তু নিষিদ্ধ লীগের একার সম্পত্তি নয়। ‘৭১ বিক্রি করে, ভারতের গোলামি করে এই দেশে আর কেউ ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এখনকার ছেলে-মেয়েরা সব বুঝে।
হাসানুল হক ইনু দেখলাম সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর আদালত থেকে বের হওয়ার সময় চিল্লাপাল্লা করছে। যাদের মনে ভয় ঢুকে যায়, সাধারণত তারাই চিল্লাপাল্লা করে। হাসানুল হক ইনু বুঝতে পেরেছে, তাকে আরো ৮ বছর জেলেই কাটাতে হবে। আর এই ৮ বছরে তার জীবনও প্রায় শেষ হয়ে যাবে। স্বৈরাচারী শাসক গোষ্ঠীর আর ফেরা হবে না। অন্তত কয়েক যুগে তো কোন ভাবেই সম্ভব নয়।