
বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁও সদঁর উপজেলায় আলু চাষ করে বিপাকে পড়েছেন চাষ কারী কৃষকেরা। চলতি মৌসুমে আলুর ফলন ভাল হলেও আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন না চাষিরা।কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন,এক বিঘা (৩৩ শতক)জমিতে আলু চাষ করতে প্রায় (৫৫০০০-৫৭০০০)হাজার টাকা খরচ হয়, কিন্তু আলুর দাম না থাকায় তা বিক্রি হচ্ছে (৩৮০০০-৪০০০০)হাজার টাকায়।এতে বিঘা প্রতি প্রায় (১৫০০০-১৭০০০)হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের।আলু চাষি আব্দুল মতিন বলেন, আমি এ বছর প্রায় ১০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি,আলুর ফলনও ভাল হয়েছে, কিন্তু আলুর দাম না থাকায় ভীষণ দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আলু চাষে যে পরিমাণ টাকা খরচ করেছি, এখন আলু বিক্রি করলে লাভ তো দূরের কথা খরচও উঠছে না।আমার ১০ বিঘা জমিতে প্রায় (১৫০০০০-১৭০০০০)হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।আলু চাষি আল-আমীন বলেন, ৪ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি, আলুর ফলনও ভাল হয়েছে, কিন্তু আলুর দাম প্রতি কেজি (৮-৯)টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।এতে আমার সার ও কীটনাশক দোকানের খরচও উঠতেছে না।বিঘা প্রতি প্রায় (১৫০০০-১৭০০০)হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।আলু ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, আলুর বাজার কয়েকদিন আগে ১১-১২ টাকা ছিল, কিন্তু হঠাৎ করে আলুর বাজার ৮-৯ টাকায় নেমে আসে। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে খালি বস্তার দাম ছিল ৮০-৮৫ টাকা, এখন সেই বস্তার দাম বেড়ে ১৬০-১৭০ টাকা হয়েছে। শুধু তাই নয়, গাড়ি ভাড়া বেড়েছে দিগুণ এবং আলুর ব্যবসায়ী কম হওয়ায় আলুর বাজারে এর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পরেছে।এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদঁর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব নাসিরুল আলম বলেন,বর্তমানে বৈশ্বিক কিছু সমস্যার কারণে আলুর বাজারে কিছুটা প্রভাব পরেছে,তবে আমরা আশা করছি অল্প কিছু দিনের মধ্যে বাজার কিছুটা স্বাভাবিক হবে। এই মূহুর্তে আমরা আলু চাষিদের আলু সংরক্ষণের জন্য পরামর্শ দিচ্ছি এবং তাদের নিয়মিত সহযোগিতা করছি।