
বড় ভাই ইকবালকে বেঁধে রেখে সাংবাদিক মাহবুব হোসেনকে ডেকে এনে মারধর
মোঃ আলমগীর কবির
বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি (নাটোর)
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এক ঘটনায় ছাত্রদল নেতা ইকবাল হোসেনকে বেঁধে রেখে তার ভাই, স্থানীয় সাংবাদিক মাহবুব হোসেনকে ডেকে এনে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং বিষয়টি ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১০ এপ্রিল শুক্রবার পারিবারিক একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ইকবাল হোসেনকে প্রথমে আটকিয়ে রাখা হয়। পরে তাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় তার ভাই মাহবুব হোসেনকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পরই তাকে মারধরের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় মাহবুব হোসেনকে লাঠি, সোটা ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি আহত হন। এ সময় তার হাতে থাকা স্মার্টফোনটিও ভেঙে ফেলা হয় বলে জানা গেছে।
আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে মাহবুব হোসেন বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মাহবুব হোসেন জানান, তাকে কী উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছিল এবং কেন তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি বলেন, “আমি ডাকার পর সেখানে যাই, কিন্তু হঠাৎ করেই আমার ওপর হামলা চালানো হয়। ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই।”
ঘটনার পর তিনি আইনি সহায়তা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কোনো বিরোধ থাকলে তা আইনের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। কাউকে আটকিয়ে রাখা, মারধর করা বা সম্পদ নষ্ট করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে