
মোহাম্মদ আবুল বশর ক্রাইম রিপোর্টার,
চট্টগ্রামের পতেঙ্গার ১৫ নং ঘাট এলাকায় ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭)। গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জনের মধ্যে ৫ জনই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক। গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ১০/১১ টার দিকে নগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাটসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি ফিশিং ট্রলারে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা জব্দসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে র্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান র্যাব-৭ এর অধিনায়ক (সিইও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রোহিঙ্গা নাগরিক কক্সবাজারের উখিয়া ১৫ নম্বর শরণার্থী ক্যাম্পের সৈয়দ আলম (৪৫), ১০ নম্বর ক্যাম্পের সুলতান আহম্মদ (৫৫), মো. ইউসুফ (৪৫), মো. কাসিম (৩০) এবং মো. ইসমাইল (৪০)। এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত চার বাংলাদেশি হলেন কক্সবাজারের মহেশখালী থানার জালিয়া পাড়া বাঘকাটাঘোনা গ্রামের মৃত আবদুল মজিদের ছেলে শাহ আলম (৩৫), টেকনাফ থানার দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আলী উল্লাহর ছেলে আজম উল্লাহ (৫৭), একই গ্রামের সিদ্দিক আহম্মদের ছেলে মো. ফারুক (২৫) এবং ডেইল পাড়া গ্রামের মৃত মোজাহেরুল হকের ছেলে ছানাউল্লাহ (৫৭)।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকে সাগরপথে ইয়াবা আসার খবরে গতকাল শুক্রবার রাতে বঙ্গোপসাগরে একটি ফিশিং ট্রলারে অভিযান চালানো হয়। র্যাবের অভিযানের সময় ট্রলারটির মাছের স্টোর থেকে ইয়াবাভর্তি তিনটি বস্তা জব্দ করা হয়। এসব বস্তা খুলে ইয়াবার ৫০টি কার্ড পাওয়া যায়। প্রতি কার্ডে ১০ হাজার করে মোট ৫ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায় বলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান নিশ্চিত করেন।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি সৈয়দ আলম, সুলতান আহম্মদ, মো. ইউসুফ, মো. কাসিম, মো. ইসমাইল, শাহ আলম, আজম উল্লাহ, মো. ফারুক এবং ছানাউল্লাহ বেশ কিছুদিন ধরে ইয়াবার কারবারে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। উদ্ধারকৃত ৫ লাখ পিস ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান।