
বানিয়াচংয়ে টানা বৃষ্টিতে ২ হাজার ৫১০ হেক্টর জমি প্লাবিত, রোদ না থাকায় কর্তনকৃত ধান নষ্ট হচ্ছে
শাব্বীর আহমদ শিবলী নোমনী,বিশষ সংবাদদত
হবিগ্ঞ্জ
বানিয়াচংয়ে টানা বৃষ্টিতে ২ হাজার ৫১০ হেক্টর জমি প্লাবিত, রোদ না থাকায় কর্তনকৃত ধান নষ্ট হচ্ছে
শিব্বির আহমদ আরজু, বানিয়াচং থেকে।। বানিয়াচংয়ে টানা বৃষ্টিতে ২ হাজার ৫১০ হেক্টর জমি প্লাবিত হয়েছে। আংশিক প্লাবিত ১ হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমি। গতকাল শনিবার স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে যারা ধান কর্তন করেছেন তারা পড়ছেন মহা বিপাকে। টানা বৃষ্টিতে ধানী জমি তলিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ধান শুকানোর মাঠ (খলা) পানি উঠে গেছে। অন্যদিকে নেই রোদ। ফলে ধানে চারা উঠে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসব ধান কর্তন করতে গিয়ে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কৃষকের ব্যয়ও হয়েছে বেশি। কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে প্রতি বিঘা জমি কর্তন করতে লাগতো ২ হাজার টাকা। এ বছর ৪ হাজার। আবার ধানের পর্যাপ্ত মূল্যও নেই। ধান বর্তমান বাজার মূল্য ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা। এর চেয়ে উৎপাদন ব্যয় আরও বেশি বলে কৃষকরা জানান।
৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের বগী গ্রামের কৃষক কবির মিয়া জানান, এ বছর আমি ৪৫ বিঘা জমি করেছি। ফলনও বেশ ভালো হয়েছিল। যখন ধান গোলায় তুলব ভাবছি তখনি প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমার ২৫ বিঘা জমি তলিয়ে গেছে। ১০ বিঘা জমি কর্তনের পর ধানের মাঠ (খলা) পানি উঠায় ধানে চারা উঠে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর অপর ১০ বিঘা জমিও যায় যায় অবস্থা। তিনি আরও জানান, এ পানি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা কম। এর কারণ হচ্ছে জমির পানি আর নদীর পানি এক হয়ে গেছে। এ ফসল থেকেই সারা বছর আমাদের পরিবারের ব্যয়ভার বহন করতে হয়। এখন আমরা কেমনে চলব তা নিয়ে ভাবছি।