
লোহাগাড়া আমিরাবাদ স্টেশনে
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল।
আরমান হোসেন ফয়সাল
লোহাগাড়ার প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম
ঢাকার মিরপুরের দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন লোহাগাড়া আমিরাবাদ গতরাতে (২১ মে) রাত ৮:৩০টার দিকে লোহাগাড়া আমিরাবাদ স্টেশনে সামনেই এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় তারা বিচার, বিচার, বিচার চাই,ধর্ষকের বিচার চাই, আমার সোনার বাংলায়,ধর্ষকের ঠাঁই নাই, দড়ি লাগলে দড়ি নে,ধর্ষককে ফাঁসি দে,
ধর্ষণের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে মানবিক এক বোরহান উদ্দিন বোরহান বলেন,স্বামী ধর্ষণ করে আর স্ত্রী তাকে সহযোগিতা করে, এমন ঘটনা আমরা কোনদিন দেখি বা শুনি নাই। এমন নির্মম ঘটনা আমাদের দেশে ঘটে যাচ্ছে, আর রাষ্ট্র চুপ করে দেখছে,এর থেকে লজ্জার আর কি হতে পারে? এপিস্টিন ফাইল কথা শুনে আমরা সবাই অনেক অবাক হয়েছি, আমার মনে হয় আমাদের দেশের এই ঘটনা গুলো একত্রিত করলে এমন আরও ৫টি এপিস্টিন ফাইল করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, নিস্পাপ শিশুদের তারা গ্যাং রেপ পর্যন্ত করছে কিন্তু এই নির্লজ্জ রাষ্ট্র অপরাধীদের কোন শাস্তি দিতে পারছে না।বরং ঘটনা কিছুটা থমকে গেলে তারা জামিনে আবার মুক্ত অবস্হায় ঘুরে বেড়ায়। আমরা ধর্ষকদের সাথে চলতে চাই না,ধর্ষকরা কোনভাবেই মানুষ নয়। সামাজিকভাবে, ধর্মীয়ভাবে, রাজনৈতিক ভাবে কোনভাবেই তাদের কোন জায়গা হবে না।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফার্মেসি বিভাগের নাইম ভূঁইয়া বলেন, আমরা আজ পর্যন্ত কোন ধর্ষণের বিচার পাই নাই,যার কারণে আছিয়া থেকে রামিসার মতো নিস্পাপ শিশুদের প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। আমরা দেখেছি গত এক সপ্তাহে চার-চারটা শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আমরা ন্যূনতম বিবৃতি পর্যন্ত পাই নি।এ দেশের আইন-শৃঙ্খলা যতদিন ঠিক না হচ্ছে ততদিন দেশের মানুষ নিরাপত্তা পাবে না।আমাদের ফ্যামিলি কার্ড লাগবে না,কৃষক কার্ড লাগবে না আমাদের প্রয়োজন জাস্টিস কার্ড।এদেশের মানুষ নিরাপত্তা চাই,আমরা জানিয়ে দিতে চাই, ৯০ দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার চাই।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।