শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
Title :
ধামরাইয়ে ডাকাতির ঘটনায় ০৬ ডাকাতদল গ্রেফতার, বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার। বাঞ্ছারামপুরে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এসএসসি জিপিএ-৫ ও কৃতি সংবর্ধনা সাংবাদিক মাসুদ মোল্লার স্মরনে দোয়া ও মোনাজাত। ডুমুরিয়ায় দলিত ইনক্লুসিভ পাথওয়েস ফর ডিসএ্যাডভানটেস ভালনারেবল কমিউনিটি আয়োজনে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। লৌহজংয়ে ডিবির অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪ হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির নতুন সভাপতি ডাঃ আনজুমান আরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নকলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কোটালীপাড়ায় ই য়া বা সেবনের দায়ে যুবকের দুই মাসের কারাদণ্ড ৮৮নং পশ্চিম দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া সঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আমিনুল ইসলাম।

দশ বছরেও শেষ না হওয়ায় সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার শ্মশান চুল্লির কাজ, নিরুপায় হয়ে নকশা বদলে কাজ করছেন স্থানীয়রা

  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ Time View

দশ বছরেও শেষ না হওয়ায় সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার শ্মশান চুল্লির কাজ, নিরুপায় হয়ে নকশা বদলে কাজ করছেন স্থানীয়রা
উপজেলা প্রতিনিধি,
সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা)
১৭/০৭/২৬

দীর্ঘ এক দশক পার হলেও শেষ হয়নি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার একমাত্র কেন্দ্রীয় শ্মশানের আধুনিক চুল্লি নির্মাণ কাজ। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের কোনো সাড়া না পাওয়ায় নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত শ্মশানের আদি নকশা (ডিজাইন) পরিবর্তন করে নিজেদের অর্থ ও উদ্যোগে চুল্লি সচল করার কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শ্মশানে চুল্লির কাজ শুরু করেন। অসমাপ্ত কাঠামোর ওপর বাঁশের মাচা বেঁধে স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১০ বছর আগে সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকায় এই শ্মশান চুল্লিটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা মাঝপথে থমকে যায়। বছরের পর বছর ধরে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। সরকারিভাবে বরাদ্দ বা কাজ শেষ না হওয়ায়, মৃতদেহ সৎকারে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছিল স্থানীয়দের। বাধ্য হয়ে তারা সরকারি মূল নকশা পরিবর্তন করে, বর্তমান কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে চুল্লিটি ব্যবহারোপযোগী করার চেষ্টা করছেন। পৌরসভার কাছ থেকে দৃশ্যত কোনো টেকসই সমাধান না পেয়ে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিজেদের তহবিল ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে এই সংস্কার কাজে হাত দিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শংকর সরকার বলেন, একটি পৌরসভার কেন্দ্রীয় শ্মশানের চুল্লি ১০ বছর ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। মৃতদেহ সৎকারের মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে বাধ্য হয়ে তাদের নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে এবং বাধ্য হয়ে নকশা পরিবর্তন করে কাজ করতে হচ্ছে।

শ্মশান কমিটির সদস্য বাপ্পী সরকার জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি অবগত করি তাতে কোনো সাড়া না পেয়ে নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত শ্মশানের আদি নকশা পরিবর্তন করে নিজেদের অর্থ ও উদ্যোগে চুল্লি সচল করার কাজ শুরু করেছি। তিনি আরো জানান, পৌরসভার কর্তৃপক্ষের অবহেলা এই প্রকল্পটির কাজটি নানা জটিলতায় ১০ বছর ধরে আটকে আছে, মৃতদেহ সৎকারের মতো একটি সংবেদনশীল বিষয় তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তালবাহানা করেছেন। তাই স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ হয়ে নিজেদের অর্থ ও উদ্যোগে এই চুল্লির কাজ শুরু করছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews