1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
মীরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক শিল্প নগরীতে নির্মাণ হবে নান্দনিক সরোবর - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ার খুটাখালীতে মসজিদ থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পরশুরামে গাঁজার পাতা হাতে জেলে আ ট ক আমলা ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য জোছনা খাতুনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আলীকদমে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃ ত্যু অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনা। ৩ জন জেল হাজতে প্রেরন। কটিয়াদীতে অসুস্থ বিএনপি সভাপতি দিলীপ খাঁনকে দেখতে গেলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ সুস্থতা কামনায় দোয়া শার্শায় নাভারণ সরকারি খাদ্য গুদামে মৌসুমী বোরো ধান ক্রয়ের উদ্বোধন আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে, নগদ টাকা ও খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চৌমুহনী শহর। মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী শাহ্ আলম সিকদারের প্রচার শুরু বাসাইলে ই য়া বা সহ মা দ ক ব্যবসায়ী গ্রে প্তা র

ভিডিও সংবাদ 👇👇

মীরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক শিল্প নগরীতে নির্মাণ হবে নান্দনিক সরোবর

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

মীরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক শিল্প নগরীতে নির্মাণ হবে নান্দনিক সরোবর

হারাধন চক্রবর্তী, স্টাফ রিপোর্টোর,মিরসরাই

মীরসরাই উপজেলার জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি পরিকল্পিত অংশ হিসেবে প্রায় ২০০ একর জমির ওপর একটি সরোবর তৈরি করার সিদ্ধান্ত ছিল শুরুর দিক থেকে। সেই স্বপ্নের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে শীঘ্রই এমন তথ্য জানা গেছে অর্থনৈতিক অঞ্চল সূত্রে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মীরসরাইয়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুপার ডাইক তথা বৃহত্তম বেড়িবাঁধ কেন্দ্রিক সমুদ্র উপকূলের জলরাশির ঢেউ আর বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ইতোমধ্যে প্রতিদিন শত শত দর্শণার্থী ভিড় করছে সেখানে। কেউ পাথরের ওপর বসে পতেঙ্গা বিচ আদলে প্রকৃতি উপভোগ করছেন। আবার কেউ বাঁধের ওপর বসে সমুদ্রের হাওয়া খেতে খেতে ঝালমুড়ি বা বাদাম খাচ্ছেন। তবে মানুষ নিয়মিতই দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্ত অবধি ভিড় করছেন এখানে। ২০১০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই অর্থনৈতিক অঞ্চল দীর্ঘ দেড় দশক ধরে সৃজন হওয়া এখানকার জাতীয় অর্থনৈতিক শিল্পনগরের বিভিন্ন ফ্যাক্টরি ও গার্মেন্টস শিল্পের পাশাপাশি রয়েছে খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশ। চারপাশে উঁচু–নিচু সবুজ ভূমি, দিগন্ত বিস্তৃত নীলাকাশ আর আঁকাবাঁকা পথ যেন প্রকৃতির সাথে মানুষের আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটিয়েছে। এর পাশেই বঙ্গোপসাগরের মোহনায় গড়ে উঠেছে মনোমুগ্ধকর সমুদ্র সৈকতটি। এই সৈকতের উল্টো দিকের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে গড়ে উঠা কয়েকটি কারখানার বেষ্টনী মোহনায় প্রস্তাবিত সরোবরের স্থানে এখনই লেক সদৃশ জলাধার গড়ে উঠেছে। এক পাশে টলমল দীঘির জলের মতো আরেক পাশে দ্বৈত সারিতে সাজানো ঝাউগাছগুলো বড় হয়ে উঠেছে। এখন থেকে সরোবরটি সাজানো হলে ফুটে উঠবে এর নান্দনিক সৌন্দর্য।

কর্মজীবী বা সাধারণ মানুষ একটু সময় পেলেই ছুটে যাচ্ছে এই সৈকতে। গত বৃহস্পতিবারও এখানে দেখা যায় দর্শনার্থীদের ভিড়। অন্তত কয়েক’শ মানুষ পরিবার–পরিজন ও বন্ধু–বান্ধব নিয়ে বেড়াতে এসেছেন এখানে। সৈকতের আশপাশে কোনো দোকানপাট না থাকলেও দু–একজন ফেরিওয়ালা দেখা গেছে। সাগরের জোয়ার–ভাটার খেলা সৈকতের রূপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শিল্পনগরের পাশে সুরক্ষার জন্য নির্মিত সুপার ডাইক ঘেষেই সৃজিত হয়েছে এই সৈকত। ঈদের ছুটি ছাড়াও প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার এখানে দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

কুমিল্লা থেকে ঘুরতে আসা শিমুল চক্রবর্তী ও শির্বানী বলেন, এখানে এসে কক্সবাজার একটুখানি অনুভূতি পাওয়া যায়। সরকার চাইলে এটিকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে। উন্নয়ন আর রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে মীরসরাইয়ের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে সৈকতটি।

এ বিষয়ে অর্থনৈতিক জোন কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক সেঁজুতি বড়ুয়া বলেন, এখানে সুপার ডাইকের ভেতরে ২০০ একর জমি জুড়ে একটি সরোবর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে লেকের উপর ভ্রাম্যমাণ ফুড কর্নারসহ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দৃষ্টিনন্দন ও প্রকৃতিবান্ধব নান্দনিক ব্যবস্থাপনা থাকবে। যারা সৈকতে আসবে তারা সৈকত উপভোগ করার পাশাপাশি এখানে লেকের স্বচ্ছ টলমলে জলের পাশে তাদের প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয় গ্রহণ করতে পারবেন। যেহেতু সৈকতের দর্শনার্থী বাড়ছে সেহেতু শীঘ্রই ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে এই বিষয়ে উদ্যোগের প্রস্তাবনা পাঠানোর আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য যে, ২০১০ সালে বাস্তবায়ন হওয়া বাংলাদেশের বৃহত্তম এই অর্থনৈতিক অঞ্চল ইতোমধ্যে অনেক সফলতার পথে। ৩০ হাজার একর জমিতে নির্মিত এই জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বেজা দ্বারা পরিচালিত। বর্তমানে এখানে ১৪টি বিদেশি এবং স্থানীয় কোম্পানি তাদের কারখানা চালু করেছে। প্রক্রিয়াধীন রয়েছে আরো অনেক দেশি–বিদেশি কারখানা। শিল্প নগরীতে গড়ে তোলা হবে নান্দনিক পর্যটন কেন্দ্র ও দৃষ্টি নন্দন ফোয়ারা বিনোদনের নানা অনুষঙ্গ।থাকবে দেশী বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষনের নানা উদ্যোগ।সরোবরে থাকবে হাউজবোট সহ ওয়াটার ট্যুরিজমের ব্যবস্থা।পাড়ে থাকবে জাদুঘর, শপিং কমপ্লেক্স, ও বিনোদন কেন্দ্র। বর্ষার মৌসুমে থাকবে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা।শুস্ক মৌসুমে তা অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্যান্য কাজে ব্যবহার হবে।সরোবরে ২ ধারে বনায়ন,বন্যপ্রানী ও পাখির অভয়াশ্রম থাকবে। থাকবে নান্দনিক ওর্য়াক ওয়ে ( হাটার পথ) ও ব্যায়ামাগার সহ নানান ব্যবস্থা। ধারনা করা হচ্ছে জাতীয় শিল্পাঞ্চল প্রকল্পটি মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট