শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
Title :
ঢালীস আম্বার নিবাসে মুন্সীগঞ্জ জেলা ৯৩ ব্যাচের মিলনমেলা ও বন্ধু আড্ডা অনুষ্ঠিত সাভার থানাধীন রাজাশন এলাকা হইতে পেশাদার অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে মায়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৫৩ বস্তা সার ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ লৌহজংয়ে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শান্তিগঞ্জে সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে যুবদলের প্রস্তুতি সভা ধামরাইয়ে ডাকাতির ঘটনায় ০৬ ডাকাতদল গ্রেফতার, বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার। বাঞ্ছারামপুরে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এসএসসি জিপিএ-৫ ও কৃতি সংবর্ধনা সাংবাদিক মাসুদ মোল্লার স্মরনে দোয়া ও মোনাজাত। ডুমুরিয়ায় দলিত ইনক্লুসিভ পাথওয়েস ফর ডিসএ্যাডভানটেস ভালনারেবল কমিউনিটি আয়োজনে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলছেন প্রধান শিক্ষিকা, স্কুল ফিডিংয়ের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠছে,

  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ Time View

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলছেন প্রধান শিক্ষিকা, স্কুল ফিডিংয়ের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠছে,

উলিপুর
​লতিফুল নয়নফারাজী

 

কুড়িগ্রামের চর মুদাফত কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জিয়ারা খাতুন রুজির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন, স্কুল ফিডিংয়ের মালামাল আত্মসাতসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চালিয়ে আসছেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষিকা জিয়ারা খাতুন রুজি স্থানীয় বিএনপি মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। রাজনৈতিক এই পদ ও প্রভাবকে পুঁজি করে তিনি মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। কিন্তু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেখিয়ে নিয়মিত সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা তুলছেন। প্রধান শিক্ষকের এমন অনুপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং ব্যাহত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

​এখানেই শেষ নয়, তার বিরুদ্ধে সরকারি ‘স্কুল ফিডিং’ প্রকল্পের মালামাল আত্মসাতেরও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত পুষ্টিকর বিস্কুট ও অন্যান্য মালামাল নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ না করে তিনি কালোবাজারে বিক্রি বা ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। ফলে বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য পুষ্টি ও খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, “প্রধান শিক্ষিকা ক্লাসে আসেন না বললেই চলে। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তিনি সবাইকে তটস্থ করে রাখেন। প্রতিবাদ করলে উল্টো নানা হুমকি দেওয়া হয়। বাচ্চারা স্কুলে গিয়ে খাবার পায় না, পড়াশোনাও ঠিকমতো হচ্ছে না। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই।”

​এই বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষিকা জিয়ারা খাতুন রুজির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি এবং তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। (অথবা: তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।)

​এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “চর মুদাফত কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতি ও স্কুল ফিডিংয়ের মালামাল কম দেওয়ার বিষয়ে একটি মৌখিক/লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন চর মুদাফত কালিকাপুরের সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews