শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
Title :
ঢালীস আম্বার নিবাসে মুন্সীগঞ্জ জেলা ৯৩ ব্যাচের মিলনমেলা ও বন্ধু আড্ডা অনুষ্ঠিত সাভার থানাধীন রাজাশন এলাকা হইতে পেশাদার অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে মায়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৫৩ বস্তা সার ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ লৌহজংয়ে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শান্তিগঞ্জে সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে যুবদলের প্রস্তুতি সভা ধামরাইয়ে ডাকাতির ঘটনায় ০৬ ডাকাতদল গ্রেফতার, বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার। বাঞ্ছারামপুরে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এসএসসি জিপিএ-৫ ও কৃতি সংবর্ধনা সাংবাদিক মাসুদ মোল্লার স্মরনে দোয়া ও মোনাজাত। ডুমুরিয়ায় দলিত ইনক্লুসিভ পাথওয়েস ফর ডিসএ্যাডভানটেস ভালনারেবল কমিউনিটি আয়োজনে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল এলাকা হইতে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

আদালতের পরোয়ানা নিয়ে আত্মগোপন, শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে*

  • Update Time : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ৪৪ Time View

*আদালতের পরোয়ানা নিয়ে আত্মগোপন, শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে*

এএসআই রণেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার থেকে তিন মামলার আসামি গ্রেফতার

মুহাম্মদ সালাহ্ উদ্দীন -স্টাফ রিপোর্টার : আলীকদম (বান্দরবান)

আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হলো না।

আদালতের জারি করা তিনটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে আলীকদম থানা পুলিশ।

পুলিশের দাবি, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) এএসআই (নিঃ) রণেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) হারুন রশীদ, এএসআই (নিঃ) মাহমুদুল হাসান, এএসআই (নিঃ) রাজীব দে এবং সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার কলাতলী আবাসিক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানে তিনটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হেফাজুতুর রহমান চৌধুরী (পিতা: শফিউল আলম, মাতা: দিলুয়ারা বেগম), সাং- এইচ চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ, বাজারপাড়া, ১৩৮ তৈন মৌজা, রেফারপাড়ী বাজার, থানা-আলীকদম, জেলা- বান্দরবানকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে দায়রা নং-৮০/২৪ (সিআর-১৩২/২৩), দায়রা নং-৫৪৪১/২৪ (সিআর-১৭২১/২২) এবং দায়রা নং-৫৪৪১/২৪ (সিআর-১৭২৯/২২) মামলায় নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

এই ধারার মামলাগুলো সাধারণত চেকের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়া বা চেক ডিজঅনার-সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

গোপন তথ্য যাচাই করে অভিযানে নামেন পুলিশের সদস্যরা। অভিযানের একপর্যায়ে কলাতলী আবাসিক এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দের ব্যবস্থা করা হয়।

পুলিশের বক্তব্য:
আলীকদম থানা পুলিশের ভাষ্য, আদালতের পরোয়ানা জারি হওয়ার পর আত্মগোপনে থাকলে আইনি দায় এড়ানো যায় না। বরং এতে আইনগত জটিলতা আরও বাড়তে পারে।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বদা আন্তরিক এবং কোনো পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আইনের আওতার বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না।

পুলিশ আরও জানায়, ব্যবসা-বাণিজ্য বা ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেনে আইন মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চেক প্রদান বা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আইন লঙ্ঘন করলে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে পুলিশ আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে।

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, আদালতের নির্দেশনা মেনে চলা এবং বৈধ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা—একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পূর্বশর্ত।

তাই আলীকদম থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন, পরোয়ানা কার্যকর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews