
ঢাকার ধামরাই উপজেলার মানবতার
ফেরিওয়ালাঃ—মুহাম্মদ উজ্জ্বল খান—নিঃস্বার্থ সেবায় উদাহরণ
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি ঢাকা।
ঢাকাঃ-ধামরাই এর সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা নীরবে কাজ করে যান,কোন প্রচারের আশা করেন না।তাদের মধ্যে এমন একজন সুনামধন্য ব্যক্তি যার নাম না বলই নয় সেই জন মুহাম্মদ উজ্জ্বল খান।
পুরা ধামরাই উপজেলা এলাকার মানুষ এক নামেই চিনে নেন তাকে “মানবতার ফেরিওয়ালা”। তিনি সুখ—দুখের কান্ডারী, জনদরদী,উদরতার মন, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাতে হাত রেখে পথচার সাহসী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম যোদ্ধা হিসেবে প্রকাশ পেয়ে থাকে।
পেশাগতভাবে তিনি
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা
আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর কেন্দ্রীয় পরিচালক। এরই পাশাপাশি তিনি-ঢাকা,গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলারঃ—সভাপতি-হিসেবেও
দায়িত্ব পালন করছেন।
একই সাথে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সাথেও যুক্ত রয়েছে। তিনি জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা ও দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ পত্রিকারঃ-স্টাফ রিপোর্টার (ঢাকা) কলম যোদ্ধা হিসেবে মানুষের সুখ দুঃখ সাথী হয়েও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে কাজ করছেন।
দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের কল্যাণে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে, সেই সাথে সাংবাদিকতার পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে মুহাম্মদ উজ্জ্বল খান নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী যাহা দ্বারা সম্ভব অসহায়, দুস্হ ও পথশিশুদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
শীতের রাতের গরম কাপড় বিতরণ ঈদে নতুন জামা,রমজানে ইফতার সামগ্রী আর ও করোনার সময় খাদ্য সামগ্রী সহায়তা—সহ সবকিছুতেই তাকে সামনে থেকে কাজ করতে দেখা গেছে।
তার নেতৃত্বে, আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
ঢাকা,গাজীপুর ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।
স্হানীয়রা জানান, মুহাম্মদ উজ্জ্বল খান
নিজের আয় থেকে প্রতিমাসে কিছু অংশ জমিয়ে রাখেন শুধুমাত্র অসহায় দুস্থ মানুষের সাহায্যের জন্য। বিভিন্ন এলাকায় যে কোন রোগী চিকিৎসায় পড়ে থাকলে বা কোন শিক্ষার্থী টাকার অভাবে পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে চাইলে তিনি সব সময়ই এগিয়ে আসেন।
তিনি আরও বলেন,
“আমি তো কিছুই করি না, যা করি তা আমার দায়িত্ব মনে করি-মুহাম্মদ উজ্জ্বল খান আরও বলেন,” আল্লাহ আমাকে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
তাই যারা কষ্টে আছে আমি তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমার দায়িত্ব ও কাজ”।
তার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মহত্ত্ব কাজের জন্য এলাকার যুবসমাজও এখন অনুপ্রাণিত হচ্ছে। অনেকেই তার সাথে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ কারার জন্য যুক্ত হয়েছেন এমনকি অনেকেই অনুপ্রাণিত হচ্ছে।
এমননি প্রতিটি এলাকায় প্রতিটি সমাজের তার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মহত্ত্ব কাজের সত্যিই প্রশংসনীয়। মুহাম্মদ উজ্জ্বল খানের মতো
“মানবতার ফেরিওয়ালা” রা আছেন বলেই পৃথিবীটা এখনও সুন্দর।
ধন্যবাদান্তেঃ— ও শুভেচ্ছান্তেঃ— আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা
আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন সেই সাথে
জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা ও দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ এর নিউজ দেখুন অন্যকে দেখার সুযোগ তৈরি করে দিন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেঃ— মোহাম্মদ
শফিকুল ইসলাম
জেলা প্রতিনিধি ঢাকা।