
মাদক মামলার ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি মোরশেদ আলম গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫
মোহাম্মদ আরিফ
উপজেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, জলদস্যুতা এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে র্যাব সবসময়ই সাধারণ জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। বিশেষ করে ওয়ারেন্টভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব প্রতিনিয়ত জোরালো অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১৫, সদর ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ০২ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ১৩:৪০ ঘটিকায় কক্সবাজার সদর থানাধীন ঝিলংঝা ইউপিস্থ বিসিক উঠনী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘদিনের পলাতক ও সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামি:
মোরশেদ আলম (৫২), পিতা- মৃত সাইদুর রহমান, সাং- আশরাফ ভিলা (২য় তলা), তারাবনিয়ার ছড়া, থানা- সদর, জেলা- কক্সবাজার।
ধৃত আসামির বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় ২০০০ সালের একটি মাদক মামলা রয়েছে। উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত আসামিকে ০২ (দুই) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০০ (পাঁচশত) টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ০১ (এক) মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকেই আসামি মোরশেদ আলম আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘ ২৬ বছর যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে আসছিল। সর্বশেষ সে কক্সবাজারের ঝিলংঝা বিসিক উঠনী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে—এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল ওই এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং আজ তাকে সফলভাবে গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি নিজের অপরাধ ও সাজার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে কক্সবাজার জেলার রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ী এবং সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর ও আপসহীন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।