
নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রভাতী বাংলাদেশ
সকালে গোসল করবেন নাকি রাতে—এ নিয়ে অনেকের মধ্যেই রয়েছে দ্বিধা। কেউ দিন শুরু করেন গোসল দিয়ে, আবার কেউ সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে রাতের গোসলকেই বেশি স্বস্তিদায়ক মনে করেন। তবে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে কোন সময়টি বেশি উপকারী, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মতামত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে গোসল করলে শরীর ও মন দুটোই সতেজ হয়ে ওঠে। ঘুমঘুম ভাব কেটে গিয়ে দিনের কাজ শুরু করা সহজ হয়। এছাড়া রাতে শরীরে জমে থাকা ঘাম ও মৃত কোষ ধুয়ে যাওয়ায় ত্বক পরিষ্কার ও ফ্রেশ থাকে।
সারাদিন বাইরে থাকার ফলে শরীরে জমে থাকা ধুলাবালি, ঘাম ও দূষণ সহজেই দূর করা যায় রাতে গোসল করলে। এতে পরিষ্কার শরীরে ঘুমানো সম্ভব হয় এবং বিছানাও তুলনামূলক কম নোংরা হয়। যারা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকেন, তাদের জন্য রাতের গোসল বিশেষভাবে উপযোগী।
বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: রাতে গোসল করলেও ঘুমের সময় শরীর আবার ঘামতে পারে এবং ত্বকের মৃত কোষ ঝরে পড়তে পারে। এগুলো বিছানার চাদর ও বালিশে জমে জীবাণু ও অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিয়মিত বিছানার চাদর ও বালিশের কভার পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করলে দ্রুত ঘুম আসতে সহায়তা করে। তবে এটি সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর নাও হতে পারে।
পরিশেষে: দিনে একবার গোসল করলেই সাধারণভাবে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্ভব। আর কখন গোসল করবেন, তা নির্ভর করে আপনার জীবনযাপন ও ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর। সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।