
ধামরাইয়ে কু পি য়ে হ ত্যা চেষ্টা, থানায় অ/ভি/যো/গ!
মোহাম্মদ উজ্জ্বল খান স্টাফ রিপোর্টার( ঢাকা)
দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
ধামরাই থানাধীন বড় চন্দ্রাইল এলাকায় পূর্ব বিরোধ ও নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)-এ ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিপন মিয়া (২৯) ধামরাই থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বলেন, স্থানীয় একটি নির্মাণাধীন ভবনের মাটি খননকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরেই ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বড় চন্দ্রাইল মাদ্রাসা সংলগ্ন সড়কে তার ভাই রোকন (৩৩) ও স্থানীয় হামেদ আলী (৪৫) হামলার শিকার হন।
এ ঘটনায় ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন— শহিদুল খান এ সাঈদ (৪০), তামিম (২০), হাসমত (৪৬), সাদ্দাম (২৮), অন্তর (১৯), রাতুল (১৯), কামরুল (১৯), মেহেদী হাসান (২৫), রাজ (২০), ইমন (২১), পারভেজ (২৪) এবং আরও ৪–৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল ব্যক্তি দেশীয় ধারালো অ স্ত্র—রামদা, দা, ছেনা, লোহার রড, এসএস পাইপ ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। তারা রোকনের পথরোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
এ সময় হামেদ আলী উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয় এবং গুরুতর আহত করা হয়।
হামলাকারীরা রোকনের ডান হাতে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হাড়ভাঙা জখম করে, ডান পা, কপাল ও ঘাড়ে ধারালো অ স্ত্র দিয়ে কো প দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এছাড়া তার পকেট থেকে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোকনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিটোরে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।