
মুহাম্মদ সালাহ্ উদ্দীন, স্টাফ রিপোর্টার
দূর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নে দিন দিন বাড়ছে হাম (রুবেলা) রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। ছোট-বড় সবাই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, যা এখন এলাকাবাসীর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে একটি মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ হানিফ। বিশেষ করে কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৭, ৫ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডগুলো দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং টিকাদান সম্পর্কে অনীহা বা অজ্ঞতার কারণে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
এখন প্রশ্ন হলো স্থানীয় প্রশাসন এবং আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলতা কতটুকু কার্যকর হচ্ছে?সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং সবার সম্মিলিত সচেতনতা এখন সময়ের দা
বর্তমানে কিছু রোগী আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন থাকলেও, দুর্গমতার কারণে অনেকেই নিয়মিত হাসপাতালে না এসে স্থানীয় ফার্মেসি বা ওষুধের দোকান থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন—যা ঝুঁকিপূর্ণ এবং সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা: এই পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে আলীকদম উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের সমন্বিত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আক্রান্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো দ্রুত চিহ্নিত করা, মেডিকেল টিম পাঠিয়ে সরাসরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা
্টি্কাদান কার্যক্রম জোরদার করা, সাধারণ মানুষকে ওষুধের দোকান এড়িয়ে সরাসরি হাসপাতালে আসতে উদ্বুদ্ধ করা।
পাড়া কার্বাড়িদের (স্থানীয় নেতৃত্ব) মাধ্যমে প্রচারণা চালানো, যাতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে সচেতন করা যায়। যথাসময়ে এসব উদ্যোগ গ্রহণ না করলে সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হয়ে একাধিক গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।এখনই সময় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর।