
জামালপুর জেলা প্রতিনিধি মোঃ আজাদ হোসেন নিপুঃ-
রাজনীতিতে পর্দার অন্তরালে থেকে যারা নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ ও শ্রম দিয়ে যান, জামালপুর-৫ (সদর) আসনের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের মধ্যে অন্যতম এক নাম মাসুমা আরমিন মিতু তিনি জামালপুর-৫ আসনের জনপ্রিয় সংসদ সদস্য এবং জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন-এর সহধর্মিনী।
সাধারণ ভোটার এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুনের প্রতিটি রাজনৈতিক সাফল্য ও নির্বাচনের নেপথ্যে মিতু ভাবির অবদান অবিস্মরণীয়। কেবল একজন সংসদ সদস্যের স্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন নিবেদিতপ্রাণ জনসেবক হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন জামালপুর পৌরসভা ও সদর উপজেলার প্রতিটি প্রান্তে।
নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুমা আরমিন মিতুর ভূমিকা সবসময়ই ছিল অনন্য। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের ম্যান্ডেট নিশ্চিত করতে তিনি বিরামহীনভাবে কাজ করেছেন। জামালপুর সদরের প্রতিটি এলাকা, অলিগলি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গেছেন তিনি। বিশেষ করে নারী ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং মা-বোনদের দাবি-দাওয়া শোনার ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন।
অদম্য ইচ্ছাশক্তির অধিকারী এই মহীয়সী নারী নিজের শারীরিক অসুস্থতাকেও কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে দেননি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অনেক সময় অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। জনগণের ভালোবাসার টানে এবং স্বামীর আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঘরে বসে থাকেননি।
একদিকে স্বামীর রাজনৈতিক ব্যস্ততা, অন্যদিকে বিশাল একটি নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রত্যাশা—এই দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছেন তিনি। তিনি যেমন দক্ষ হাতে নিজের পরিবারকে আগলে রেখেছেন, তেমনি জামালপুর সদরবাসীকেও নিজের পরিবারের সদস্য হিসেবে আপন করে নিয়েছেন।
এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মিতু ভাবির বিনয়ী আচরণ এবং মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার গুণটি তাদের মুগ্ধ করে। জামালপুর পৌরবাসী ও সদরবাসী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন তার সেই ত্যাগী দিনগুলোর কথা। তারা মনে করেন, একজন আদর্শ সহধর্মিনী হিসেবে তিনি শুধু শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুনের শক্তি নন, বরং পুরো জামালপুরের সাধারণ মানুষের আস্থার একটি নাম।
রাজনীতির কঠিন পথে আদর্শ আর ধৈর্য বজায় রেখে মাসুমা আরমিন মিতু প্রমাণ করেছেন, নেপথ্যে থেকেও মানুষের মন জয় করা সম্ভব। জামালপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার এই ত্যাগ ও পরিশ্রম চিরকাল অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।