1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
এমবিবিএস না হয়েও ২০ বছর ধরে চক্ষু বিশেষজ্ঞ  মাদারীপুরে চিকিৎসার নামে ভয়ংকর প্রতারণা - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রসবের পর পুনরায় গর্ভধারণের ঝুঁকি কখন ও কীভাবে নেবেন জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা  মেধা ও স্বচ্ছতায় যশোরে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের প্রথম ধাপ সম্পন্ন মুন্সীগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগের প্রথম দিন সম্পন্ন  শতভাগ স্বচ্ছতার আশ্বাস পুলিশ সুপারের স্টাফ রিপোর্টার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ লাঠিখেলা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ, বাঞ্ছারামপুরে লোডশেডিং আর গরমে টিনের শ্রেণি কক্ষে ক্লাশ করতে পারছে না শিশুরা শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলদিয়া বাজারে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু, সচেতনতা বাড়াতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি সেনবাগে খাল খনন কর্মসূচি কার্যক্রম শুভ উদ্বোধন করেন- জয়নুল আবদিন ফারুক এম পি

ভিডিও সংবাদ 👇👇

এমবিবিএস না হয়েও ২০ বছর ধরে চক্ষু বিশেষজ্ঞ  মাদারীপুরে চিকিৎসার নামে ভয়ংকর প্রতারণা

উজ্জ্বল চন্দ্র মন্ডল
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

উজ্জ্বল চন্দ্র মন্ডল

চোখের সমস্যা নিয়ে সঠিক চিকিৎসার আশায় যারা মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ভুরঘাটা এলাকার ‘ইমন অপটিক্যালস’-এ যান, তারা আসলে কার কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন? দীর্ঘ ২০ বছর ধরে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসা ইব্রাহিম খলিল (৬০) নামের এক ব্যক্তি আসলে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী নন। অথচ বছরের পর বছর ধরে তিনি সাধারণ রোগীদের চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ।

প্রতারণার অভিনব কৌশল: সরেজমিনে তদন্তে দেখা গেছে, ইব্রাহিম খলিল রোগী দেখার সময় সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। তিনি ফোনে কোনো এক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেই পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ লিখে দেন। তার এই ‘স্যার’ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তি হলেন এফ আর হাবীব, যিনি ঢাকার একটি চক্ষু হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত। এই বিষয়টি জনমনে রীতিমতো আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

প্রেসক্রিপশনে জালিয়াতি: সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, ইব্রাহিম খলিল রোগীদের প্রেসক্রিপশনে নিজের নামের পাশাপাশি এফ আর হাবীবের নামও রাখতেন। কিন্তু রোগী বিদায় করার সময় তিনি কৌশলে মার্কার দিয়ে এফ আর হাবীবের নাম ও নম্বর মুছে ফেলতেন, যাতে কোনোভাবেই প্রমাণ না থাকে যে চিকিৎসার নেপথ্যে অন্য কেউ আছেন। অনুসন্ধানে তার প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের প্রমাণও মিলেছে, যা একজন সাধারণ প্যারামেডিকের দেওয়ার এখতিয়ার নেই।

চিকিৎসা নীতিমালার তোয়াক্কা নেই: ইব্রাহিম খলিল নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি এমবিবিএস নন, বাংলাদেশ স্টেট মেডিকেল থেকে প্যারামেডিকেল কোর্স করেছেন। অথচ তিনি নিয়ম ভেঙে নিয়মিত রোগী দেখে আসছেন। এফ আর হাবীবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি স্বীকার করেন, ইব্রাহিম মাঝে মাঝে তাকে ফোন করেন। একজন স্বীকৃত চিকিৎসকের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ ও প্রতারণাকে প্রশ্রয় দেওয়াকে ক্ষমার অযোগ্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার চোখের স্থায়ী ক্ষতি এমনকি অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। সরাসরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া ফোন কলের মাধ্যমে চক্ষু চিকিৎসা দেওয়া চিকিৎসা নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। স্থানীয় সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগীরা এখন এই ভুয়া ডাক্তারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট