
স্ত্রীর পরকিয়া দেখতে পেয়ে স্বামীকে নির্মম নির্যাতন: শশুরবাড়িতে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর জখম
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি।
সোনাগাজীর আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরলামছি গ্রামে চাঞ্চল্যকর ঘটনা; আহত স্বামী হাসপাতালে, অভিযুক্ত স্ত্রী ও শশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরলামছি গ্রামে এক চাঞ্চল্যকর পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। স্ত্রীর পরকিয়ার অভিযোগে শশুরবাড়িতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন স্বামী আবদুল মজিদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবদুল মজিদ তার স্ত্রী সাহানার আচরণ নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে তিনি সম্প্রতি শশুরবাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি স্ত্রীর পরকিয়া সম্পর্কের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, এ ঘটনার জেরে স্ত্রী সাহানা এবং তার পরিবারের সদস্যরা আবদুল মজিদের ওপর চড়াও হন। তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আবদুল মজিদকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত আবদুল মজিদ সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের ইউনুস ডাক্তার বাড়ির গোলালের রহমানের ছেলে।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উপসংহার:
পারিবারিক বিরোধ ও সম্পর্কের জটিলতা কখনো কখনো ভয়াবহ রূপ নেয়—সোনাগাজীর এই ঘটনাটি তারই একটি মর্মান্তিক উদাহরণ। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি স্থানীয়দের।