
পবিত্র ঈদুল আজহায় শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আমজাদ হোসেন মিঠু
জেলা প্রতিনিধি , মুন্সিগঞ্জ|
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং চারবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে, ২০২৬) সকালে পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়া উদ্যানে (চন্দ্রিমা উদ্যান) অবস্থিত দুই নেতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত এই মাজারে উপস্থিত হন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন তাঁর সহধর্মিনী ডা. জোবাইদা রহমান।
শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত
সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ফার্স্ট লেডি ডা. জোবাইদা রহমান কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জিয়া উদ্যানে পৌঁছান। সেখানে উপস্থিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য এবং দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ তাঁদের স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী প্রথমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও পরবর্তীতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তাঁরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর দুই নেতার রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করা হয়।
মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মাঝে এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ বছর পর দেশের মাটিতে বাবা ও মায়ের স্মৃতিধন্য মাজারে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমান। মোনাজাত পরিচালনাকালে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিনীকে বেশ আবেগপ্রবণ দেখা যায়।
### রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
মাজার জিয়ারতের সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন এবং সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান।
উদ্যানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। জিয়ারত পর্ব শেষ করে প্রধানমন্ত্রী গণভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন, যেখানে দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার কথা রয়েছে।