
দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক বিরোধী অভিযানে অব্যাহত আছে ।
মোঃ রাসেদ আলী
পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধি ।
মাদক সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের জন্য একটি মারাত্মক অভিশাপ। দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে শুধু মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই মাদক নির্মূল সম্ভব নয়; মাদক উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
আইনের দৃষ্টিতে মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ একটি গুরুতর অপরাধ। তাই মাদক ব্যবসায়ী, পাচারকারী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা কোনোভাবেই আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার পেতে না পারে। একই সঙ্গে মাদকসেবীদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকদের সম্মিলিত দায়িত্ব। আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদক ব্যবসা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম পরিলক্ষিত হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা নাগরিক দায়িত্বের অংশ।
প্রচলিত প্রবাদ আছে, “দশের লাঠি একের বোঝা”। অর্থাৎ সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই অপরাধ দমনে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে মাদক ও অপরাধমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করি এবং সচেতন সমাজ বিনির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করি।
মাদককে না বলুন, সুস্থ ও নিরাপদ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসুন।