1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
ঠাকুরগাঁওয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের চেস্টা থানায় অভিযোগ - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হবিগঞ্জে আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে  সংবাদ সম্মেলন হবিগঞ্জে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত, আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষায়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে শিবচরে গ্রাহকদের মানববন্ধন ঘাটাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার: কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল আমিনুলের মরদেহ, আটক ৫ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ’র সাথে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ বাবুগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাবুগঞ্জে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৪৩৩ তম তিরোধান দিবস পালিত। নিখোঁজের চার দিন পর যুবদল কর্মীর লাশ উদ্ধার কালিয়াকৈরে মসজিদে এসে বারবার লাঠি হারাচ্ছেন প্রতিবন্ধী নাসিরুদ্দিন, অল্পের জন্য রক্ষা লোহাগাড়ার ফুটবলের জন্য অনুপ্রেরণার এক স্মরণীয় মুহূর্ত

ভিডিও সংবাদ 👇👇

ঠাকুরগাঁওয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের চেস্টা থানায় অভিযোগ

বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় কবলাকৃত জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মহসিন ইসলাম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।ঘটনাটি ঘটেছে, ঠাকুরগাঁও সদঁর উপজেলার রাজাগাঁও ইউনিয়নের উত্তর বঠিয়া নামক এলাকায়।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,১৯৪০ সালে আমার দাদা ধন মোহাম্মদ, নছির উদ্দীন মোহাম্মদ সরকারের কাছ থেকে ৪৪৫ নং দলিল মূলে খোশ কবলা ক্রয় করেন।  জমি ক্রয় করার পরে পজিশন বুঝায় নেন। এবং ভোগদখল থাকা অবস্থায় আমার দাদা ধন মোহাম্মদ আমাকে সহ আমার ছোট ভাই রফিকুল ইসলামকে হেবা বিল এওয়াজ মূলে জমি আমাদের নামে দলিল করে দেয়। ।দাদার মৃত্যুর পর হতে আমি সহ আমার ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম সেই জমি এখনো পযর্ন্ত ভোগদখল করে আসতেছি ।আমাদের ভোগদখল থাকা অবস্থায় বিবাদী জয়নাল আবেদীন, মইনুল হক,নুর আলম সহ তাদের লোকজন সেই জমিতে গায়ের জোরে জবরদখল করার জন্য চেষ্টা চালায় কিন্তু জবরদখল করতে ব্যর্থও হয় তারা। পরবর্তীতে আমি সহ আমার ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বিষয় টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে তাঁরা বিষয় টি আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করে।বিবাদী জয়নাল আবেদীন, মইনুল হক ও নুরে আলম সমাজের কাছে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার জন্য আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত সময় নেন।কিন্তু সময় নেওয়ার ২৫ তারিখের পূর্বেই সেই জমিতে আবারো গায়ের জোরে জবরদখল করা জন্য হালচাষ করেন তারা।এই বিষয়ে বিবাদী জয়নাল আবেদীন ও নুরে আলমে সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন আমাদের জমিতে আমরা হাল দিছি এতে কার কি হয়েছে। তবে স্থানীয়  ভাবে বসার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন তারা কোন আপোষ মিমাংসা জন্য বসা হয়নি।এই বিষয়ে স্থানীয় পান দোকানদার সহিদুল ইসলাম বলেন, এই জমি প্রায় ৮০ বছর ধরে ধন মোহাম্মদের পরিবার ভোগদখল করে আসিতেছেন। এমতাবস্থায় বিবাদী জয়নাল আবেদীন উক্ত জমিতে হাল চাষ করেন।তিনি আরও বলেন, এই জমির বিষয়ে আমি সহ স্থানীয় গণ্য-মাণ্য ব্যাক্তি বর্গকে নিয়ে আপোষ মিমাংসার জন্য বসি এবং মহসিন আলী উক্ত জমির কাগজ পত্র দেখান।কিন্তু বিবাদী জয়নাল আবেদীন উক্ত বৈঠকে বলেন,এই কাগজ পত্র ঠিক আছে কিনা তা ভলিয়ম যাচাইয়ের জন্য  আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত সময় নেন। কিন্তু ২৫ তারিখের পূর্বেই জয়নাল আবেদীন গায়ের জোরে উক্ত জমিতে হালচাষ করে জবরদখলের চেষ্টা করেন। এটা আসলেই ঠিক করেনি জয়নাল আবেদীন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহেরুল ইসলাম বলেন,জমির বিষয়ে আমাদেরকে ডাকা হয়েছিল। আমরা তাদেরকে বলেছি আপনাদের দুই পক্ষের কি কাগজ পত্র আছে নিয়ে আসেন।তখন মহসিন আলী উক্ত জমির সকল কাগজ পত্র দেখান। কিন্তু বিবাদী জয়নাল আবেদীন কোন কাগজ পত্রের প্রমাণ দেখাতে পারেনি।তিনি আরও বলেন, মহসিনের কাগজ পত্র অনুযায়ী প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ বছর ধরে ভোগদখল করে আসিতেছেন মহসিন আলী ও তার পরিবার।নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন,অনেক দিন ধরে এই জমি মসলিম উদ্দীন ও তার ছেলে মহসিন আলী ভোগদখল করে আসতেছেন।কিন্তু হঠাৎ করে জয়নাল আবেদীন সেই জমিতে হাল চাষ করে জবরদখল করার চেষ্টা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট