1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “দপ্তরী কাম প্রহরীর সাথে চলছে বৈষম্য - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিজি’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনা কলমাকান্দার কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এজমল হোসেন পাইলট। মনপুরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ৫ বছরের শিশুর অকাল মৃ ত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া শুধু জরিমানা নয়, সেনবাগ বাজারের ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত করার দাবি সচেতন মহলের হবিগঞ্জে আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে  সংবাদ সম্মেলন হবিগঞ্জে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত, আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষায়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে শিবচরে গ্রাহকদের মানববন্ধন ঘাটাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার: কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল আমিনুলের মরদেহ, আটক ৫ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ’র সাথে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভিডিও সংবাদ 👇👇

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “দপ্তরী কাম প্রহরীর সাথে চলছে বৈষম্য

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

আব্দুল ওয়াহাব, স্টাফ রিপোর্টার

সারা বাংলাদেশে ৩৭ হাজার দপ্তরী কাম প্রহরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ করে আসছে। তাদের দিন রাত ডিউটি করতে হচ্ছে। তাদের নেই কোন নৈমিত্তিক ছুটি, তারা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আন্ডারে চাকরি করে। ১২ই ফেব্রয়ারি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভোটের ডিউটি করে সন্মানী পাচ্ছেন ৪-৫ হাজার টাকা, আর একজন দপ্তরি ভোটের আগের দিন বিদ্যালয় পরিস্কার করে দেয়, ভোটের দিন তারা সহযোগিতা করে এবং পরের দিন আবার বিদ্যালয় পরিস্কার করতে হয়। তাদের নেই কোন সন্মানি ভাতা, এটা কি বৈষম্য নয়।তাদের কি কোন আশা নেই যে আমরাও কিছু টাকা সন্মানী পাবো।আজও সেই ১৪৪৫০/১৬,১৩০ টাকার চাকরি , একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী।কাগজে-কলমে সরকারি স্কুল,
কিন্তু তাদের জীবনটা সরকারি নয়। বেতনের খাতা খুললেই ভয় লাগে ১৪৪৫০/১৬,১৩০ টাকা দিয়ে শুরু হয় মাস,শেষ হয় ঋণ দিয়ে।একটি ছয় সদস্যের পরিবার— মা-বাবা, স্ত্রী সন্তান ও ভাই-বোন সবাই নির্ভর করে এই টাকার উপর।পড়াশোনার খরচ, ওষুধের খরচ, চাল-ডাল-তেল, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি সব মিলিয়ে মাসের মাঝা মাঝিতেই পকেট শূন্য।মাথা ঋনের বোঝায় ভরে যায়, লোকজন বলে“তুমি তো সরকারি চাকরি করো!”একজন দপ্তরি হাসেন। এই হাসির ভেতরে কত অপমান,কত কান্নাকেউ জানে না।সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা তাদের চাকরিটা আউটসোর্সিংয়ের অস্থায়ী চাকরি।একজন দপ্তরি মারা গেলে স্ত্রী সন্তানদের নাই কোন ভবিষ্যৎ। একজন দপ্তরি ১০–১২ বছর কাজ করেছেন,কিন্তু বেতন বাড়েনি, চাকরি স্থায়ী হয়নি, ভবিষ্যতের কোনো নিশ্চয়তা নেই ঈদ আসে, পূজা আসে সবাই বোনাস পায় একজন দপ্তরি  পায় শুধু দীর্ঘশ্বাস। কিন্তু বুকের ভেতর জমে থাকাএই কান্না,অবশেষে উপায় না পেয়ে করতে হয় আত্মাহত্যা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট