
মোঃমামুন মোড়ল ,
জেলা প্রতিনিধি: (নরসিংদী)
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় দীর্ঘ ১৮ মাস পর অবসান ঘটেছে বহুল আলোচিত এক ঘটনার। অভিযোগের তদন্তে সত্যতা না পাওয়ায় পলাশ থানা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক বরুণ চন্দ্র দাস পুনরায় স্বপদে বহাল হয়েছেন।
বুধবার সকালে বিদ্যালয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ও পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ মাস আগে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে একদল ব্যক্তি আকস্মিকভাবে বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ সৃষ্টি করে প্রধান শিক্ষক বরুণ চন্দ্র দাসকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিধি-বিধান অনুসরণ করে তাকে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি নীতিমালা ও প্রযোজ্য আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
দায়িত্ব গ্রহণ শেষে প্রধান শিক্ষক বরুণ চন্দ্র দাস বলেন,
“বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব। সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ঘোড়াশাল-পলাশ আঞ্চলিক শ্রমিক দলের সভাপতি আল-আমিন ভূঁইয়া, পলাশ উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কুমুদ রঞ্জন দেবনাথ, ২নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপির সভাপতি সাখাওয়াত মোল্লা, সাবেক মেম্বার ওসমান গাজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপস্থিত বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।