
বিশেষ প্রতিনিধ ইমন রহমান
ভোলায় জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জেলা প্রশাসনের গাফিলতি ও ব্যর্থতার চিত্র ক্রমেই তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সড়ক ও নৌপথে অনিয়ম, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, নিরাপত্তাহীনতা এবং প্রশাসনিক নজরদারির ঘাটতি দেখা দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
অভিযোগ রয়েছে, ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাট এলাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের উপর হামলা, দুর্ব্যবহার এবং অনিয়মিত পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। থাকলেও দৃশ্যমান তদারকি না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে তাদের ভূমিকা নিয়ে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ঈদ কে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মাঠপর্যায়ে তদারকি দুর্বল এবং অভিযোগগুলো যথাযথভাবে আমলে নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে ঘর মুখো সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।কিছু মহলের অভিযোগ, জেলা প্রশাসক ডঃ মোঃ শামীম রহমান মাঠপর্যায়ের সমস্যা সমাধানের চেয়ে উপরমহলে যোগাযোগ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত। যদিও এ বিষয়ে তার কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের মুঠো ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়াও ঈদকে কেন্দ্র করে লঞ্চ ও ফেরিঘাট গুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে বারবার কল করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। এদিকে জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এখন সময়ের দাবি। তারা দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।