
মোঃ আবদুল মোতালেব স্টাফ রিপোর্টার নোয়াখালী :–
প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে মাইজদী
জেলা প্রসাশকের কার্য্যালয়ে অনুষ্ঠিত এবং বিজ্ঞ বিচারক দের সাক্ষাৎকার ও বিচার কার্য্যে ৩-৬-২০২৬ ইং তারিখ, সেনবাগ কাদরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মমতাজ বেগম এই সন্মান অর্জন করেন।
একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: আলামিন নোয়াখালী জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক এবং বিজবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু হাসান শ্রেষ্ট শিক্ষক পুরুষ নির্বাচিত হন।
২০২৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষা পদক সেনবাগের তিন জনকে অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
মমতাজ বেগম এর সাফল্যে আমাদের পরিবার সন্মানিত হয়েছে।সম্পর্কে আমি মমতাজ ম্যাডামের স্বামী। উনার বাবার বাড়ি কবির হাট উপজেলার নতুন শাহজীর হাটের ঘোষবাগ।
সম্প্রতি মমতাজ প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ এ
সেনবাগ উপজেলায় একই ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ট সহকারী শিক্ষক ২০২৬ নির্বাচিত হন।
এর পূর্বে মমতাজ বেগম ২০২২ সালে সেনবাগ উপজেলা, নোয়াখালী জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে “সংগ্রামী নারী জয়িতা” সম্মাননায় ভূষিত হন। তাঁর এই নতুন অর্জন শিক্ষকতা পেশায় কর্মরত নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে ।
মানবিক বোধ সম্পন্ন বিদুষী জ্ঞান তাপসী ইতিহাসে এম এ ফাইনাল ইয়ারে অধ্যায়ন করছেন। ঢাকার মোহাম্মদ পুরে বেড়ে উঠা এইচ এস সি ঢাকায় সম্পন্ন করে প্রবাসীর বধু হয়ে সেনবাগে আসেন। প্রয়োজনের তাগিদে আর শিক্ষার সাথে পথ চলতে বিয়ের এক যুগ পর বিএসসি সম্পন্ন করেন এবং বিয়ের সতের বছর পর প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
মমতাময়ী মা রুপী,সুমিষ্টভাষী সুন্দর উচ্চারণ জ্ঞান সম্পন্ন মমতাজ শিশুদের,বয়বৃদ্ধদের সেবা দিয়ে থাকেন। বিভিন্ন দুর্যোগে পরিচিত জনদের সহায়তায় দুস্থদের পাশে থাকেন।
জেলায় কৃতিত্বের জন্য সেনবাগ উপজেলার বধু আর কবির হাটের কন্যার জন্য রইলো শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা। নারীদের সফলতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মমতাজ।বিয়ের পর সংসার জীবনের চড়াই উৎরাই পেরিয়ে যে সন্মান অর্জন করেছেন তা অবশ্যই প্রসংসার দাবীদার।