1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
চট্টগ্রাম মিরসরাই কুয়াশাচ্ছন্ন শীতে জন জীবন বিপন্ন - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে ফ্লাইওভারে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ এলাকায় শোকের ছায়া ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিতে না ফিরলে ইরানকে ‘তছনছ’ করার হুমকি তীব্র দাবদাহের মাঝে স্বস্তির আভাস ৮ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা নদীবন্দরে সতর্কতা আলীকদমে পুলিশের বিশেষ অভিযান ১০ বছরের পলাতক হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার কটিয়াদীতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন স্বতন্ত্র নয় এবার দলীয় প্রতীকে ঢাকার মেয়র হতে চান হিরো আলম পুরুষের যৌন অক্ষমতা ও আধুনিক চিকিৎসা সংকোচ ভেঙে ফিরুন স্বাভাবিক জীবনে হাত-পায়ে হঠাত তীব্র ব্যথা সাধারণ অবহেলা কেড়ে নিতে পারে শরীরের অঙ্গ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রায় বাড়ছে স্থূলতা সুস্থ থাকতে বিশেষজ্ঞদের ৩টি জাদুকরী পরামর্শ বসা থেকে হঠাৎ দাঁড়ালে মাথা ঘোরে অবহেলা করলেই বাড়তে পারে বিপদ

ভিডিও সংবাদ 👇👇

চট্টগ্রাম মিরসরাই কুয়াশাচ্ছন্ন শীতে জন জীবন বিপন্ন

 হারাধন চক্রবর্তী, স্টাফ রির্পোটার,মিরসরাই
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

 হারাধন চক্রবর্তী, স্টাফ রির্পোটার,মিরসরাই

মীরসরাই সদর আশপাশের গ্রামে উত্তরের হিমেল হওয়ার পাশাপাশি চারপাশ দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা।হঠাৎ করে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। একদিকে উত্তরের হিমেল হওয়া, অন্যদিকে ২দিন ধরে সূর্যের আলো নেই। গভীর রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকছে। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, চলতি মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন।এদিকে হঠাৎ করেই শীত বাড়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমুল মানুষ।প্রতিদিনই কমছে তাপমাত্রার পরিমাণ।চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।চট্টগ্রামে আগামী কয়েকদিন সকাল ও রাতের দিকে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে।তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে তীব্র শীত জেঁকে বসছে বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস।অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন শুক্রবার রাত থেকে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা কমে গেছে।সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঘনকুয়াশা। গতকাল বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। বিকেল হওয়ার সাথে সাথে আবারো সূর্য মুখ লুকিয়ে নেয়।শুরু হয় ঘনকুয়াশা। তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও তীব্র শীত অনুভুত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, চলতি মাস থেকেই মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।এই অবস্থা থাকবে আগামী ১৫ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এবার শৈত্যপ্রবাহের স্থায়িত্ব বেশি হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে তীব্র শীত পড়ায় চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তা-ঘাটে মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে। সকালে ব্যবসায়ীরা দোকানপাটও খুলছেন দেরিতে।আবার রাত ১০ টার পর বাজারে লোকজনের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। একইসাথে যানবাহনের পরিমাণও কমছে। রাত ১১টা পর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে পুরো এলাকা ।বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দোকানপাট। গ্রামাঞ্চলে রাত ৮টার পর আর লোকজন বাইরে থাকছে না। রাত ১০টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সব ধরনের দোকানপাট।আবার পরের দিন বেলা ১০টার আগে দোকানপাট খুলছেন না ব্যবসায়ীরা।জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে নগরীর গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে বেড়েছে ভিড়। অভিজাত মার্কেট থেকে শুরু করে রাস্তার ফুটপাতেও গরম কাপড়ের দোকানে লোকসমাগম দেখা যাচ্ছে।শীত বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।কাজের সন্ধানে এলাকায় বসে থাকা এক পথচারী বলেন,শীত বাড়ার কারণে সকালে এইখানে আসতে দেরি হয়েছে। যার কারণে আজ আর কাজ পাননি তিনি। তীব্র শীত পড়লে তাদের অনেক কষ্টে দিন পার করতে হয়।একদিকে থাকে কাজ না পাওয়ার আশঙ্কা, অন্যদিকে শীতের মধ্যে কাজ করা নিয়েও দুশ্চিন্তা।কাজ না করলে পরিবার পরিজন নিয়ে চলা মুশকিল হয়ে যায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের শ্রমিকরা শীতের কারণে বেশি বেকার হয়ে পড়েছেন।দিনের বেশিরভাগ সময় কুয়াশা থাকছে।সেই সঙ্গে শীতের তীব্রতা গ্রামেও বেশি।এতে গ্রামের শ্রমিকরা কাজে যেতে পারছেন না।যারা কাজ করছেন তাদের শীতের কারণে কষ্ট বেড়েছে।গ্রামে চলছে ধান কাটার মৌসুম, শীতের কারনে ধান কাটা ও ব্যাহত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট