1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী হিসেবে তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত ছিলেন ভোলার মেয়ে ফাতেমা  - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘাটাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার: কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল আমিনুলের মরদেহ, আটক ৫ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ’র সাথে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ বাবুগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাবুগঞ্জে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৪৩৩ তম তিরোধান দিবস পালিত। নিখোঁজের চার দিন পর যুবদল কর্মীর লাশ উদ্ধার কালিয়াকৈরে মসজিদে এসে বারবার লাঠি হারাচ্ছেন প্রতিবন্ধী নাসিরুদ্দিন, অল্পের জন্য রক্ষা লোহাগাড়ার ফুটবলের জন্য অনুপ্রেরণার এক স্মরণীয় মুহূর্ত বাবুগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাবুগঞ্জে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৪৩৩ তম তিরোধান দিবস পালিত সেনবাগের গৃহবধূ মমতাজ বেগম নোয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হলেন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও লেবেলিং ত্রুটিতে দুই মিষ্টির দোকানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা মাদারীপুর সদর, ডাসার ও কালকিনি থানা এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১৬

ভিডিও সংবাদ 👇👇

খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী হিসেবে তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত ছিলেন ভোলার মেয়ে ফাতেমা 

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

মো: জিহাদ হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি ভোলা সদর ভোলা

ভোলার গর্ব ফাতেমা শুধু একজন গৃহকর্মী নন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গীও ।বহু নাম উচ্চারিত হয় রাজনীতির ইতিহাসে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা, কারাগার।কিন্তু সেই ইতিহাসের আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় নয়, ছায়ায় থেকেই যারা ইতিহাসের সাক্ষী।বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে সেই ছায়াসঙ্গীর নাম ফাতেমা বেগম।ভোলার মেয়ে ফাতেমা এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন । ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একবার কটাক্ষ্য করে বলেছিলেন, কারাগারেও তাকে (খালেদা জিয়া) ফাতেমাকে লাগবে??দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ দিন, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর, সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা।সে কোনো রাজনৈতিক কর্মী নন, কোনো দলীয় পদও নেই। তবু ইতিহাসের কঠিন চরম মুহূর্তগুলোয় তার উপস্থিতি ছিল প্রতিনিয়ত।দুঃখের ভেতর বড় হওয়া জীবন ফাতেমার জন্ম আমার জেলা ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। সংসারের ভার তার কাঁধে আসে খুব অল্প বয়সেই।একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর সংসার বাঁধেন। মেঘনা নদীর চরে কৃষিকাজ করে চলতো জীবন। ঘরে আসে মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। ২০০৮ সালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। ছেলের বয়স তখন মাত্র দুই বছর, মুহূর্তে বদলে যায় ফাতেমার  জীবনের মানচিত্র।স্বামীর মৃত্যুর পর ছোট দুই সন্তান নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবা-মায়ের ঘরে। মুদি দোকানি বাবার সামান্য আয় সংসারের চাহিদা মেটাতে পারছিল না। তখনই জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেন, সন্তানদের গ্রামে রেখে কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।ঢাকায় এসে নতুন অধ্যায় ২০০৯ সাল। পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নারীর দৈনন্দিন জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন ফাতেমা।সকল ধরনের কাজ, এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়, যেন সম্পর্কের দায়।বাথরুমে আনা- নেওয়া ওষুধ খাওয়ানো  শারীরিক দুর্বলতায় তার হাত  ধরে রাখা ইত্যাদি সব ধরনের কর্মকাণ্ডে তিনি সব সময় পাশেই ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট