
মোঃ দেলোয়ার হোসেন (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার কাহালু উপজেলার সদর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী প্রভাষক এস. এম. রুবেল বর্তমানে এলাকার তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ হিসেবে আলোচিত হচ্ছেন। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রভাষক এস. এম. রুবেলের গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষিত, সৎ ও আধুনিক চিন্তাধারার নেতৃত্বের প্রত্যাশায় অনেকেই তাকে আগামী দিনের একজন সম্ভাবনাময় জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে প্রবীণ, শিক্ষক, কৃষক, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিভিন্ন উদ্যোগে অংশগ্রহণ, শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা এবং এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি অনেকের আস্থা অর্জন করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত।প্রভাষক এস. এম. রুবেল দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ, সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।স্থানীয় ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, একজন শিক্ষিত, সৎ ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের মতে, নির্বাচনে অংশ নিলে প্রভাষক এস. এম. রুবেল একজন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ, কুশল বিনিময় এবং স্থানীয় মানুষের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় আয়োজন এবং জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে তার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।এ বিষয়ে প্রভাষক এস. এম. রুবেল বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। জনগণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং তাদের মূল্যবান সমর্থন দেন, তাহলে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। শিক্ষা, সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি, যুবসমাজের কর্মসংস্থান এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চাই।তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সদর ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব। নির্বাচনে অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য ক্ষমতা নয়, বরং মানুষের সেবা করা এবং একটি উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গঠন করা।উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের কার্যক্রমে কাহালু সদর ইউনিয়নের নির্বাচনী পরিবেশ ধীরে ধীরে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পাচ্ছে। তবে নির্বাচনে কে মনোনয়ন পাবেন এবং শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, সেই সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের নেতৃত্ব।