
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার দক্ষিণ
গোবিন্দপুর এলাকায় তারাবির নামাজের সময় ফকির বাড়িতে হামলায় পুরুষ মহিলা শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছে । প্রত্যুক্ষ্যদর্শী ও ঘটনার শিকার ইলিয়াস (৬০) জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে প্রতিপক্ষ আসাদুজ্জামান কিরনের বাড়ীর সাথে জমিতে সার দিতে গেলে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে উভয়ে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়লে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে রাত ৯ টায় তারাবির সময় কিরন তার দলবল নিয়ে ফকির বাড়িতে হামলা করে। হামলায় ঐ রাড়ির ৬/৭ টি ঘর ও একটি দোকানে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন ভাংচুর করে ও ইট পাটকেল ছুড়ে মারে। এ সময় রেখা আক্তার (৩৮) নামে এক গৃহবধুকে মাথায় কুপিয়ে মারাত্বক আহত করে। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় কিশোরগঞ্জ শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার ঘটনাটি তারাবির নামজের সময় হওয়ায় বাড়ির লোকজন সকলেই নামাজে থাকার সুযোগে দুরবৃত্তরা এ হামলা করেছে। এতে পুরুষ মহিলা শিশু সহ ১০/১২ জন ইটের আঘাতে আহত হয়েছে। গোবিন্দপুর ইউনিয়ন জামাতের নেতা আজিজুল ইসলাম জানান, দু হাত না থাকা প্রতিবন্ধী রিটন (৪৮) কে তিনি একটি দাতা সংস্থা থেকে টাকা এনে বাড়িতে দোকান করে দিয়েছিলেন, এতে তার পরিবার কোনমতে আয় রোজগার করে সংসার চালাচ্ছিলেন, কিন্তু ঐ দোকানটিতেও ভাংচুর, লুটপাট করেছে হামলাকারিরা। সরেজমিন ঘটাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ৭/৮টি ঘর কুপিয়ে ভাংচুর করা হয়েছে । অন্য দিকে আসাদুজ্জমান কিরনের প্রবাসী ভাইয়ে স্ত্রী তানজিনা (১৯) এসব ঘটনা মিথ্যা দাবী করে তাদের উপর হামলা হয়েছে বলে জানান । এছাড়াও ঐ বাড়ির কাসেমের স্ত্রী রেহেনা (৩৫) দন্দোক্তী করে বলেন সাংবাদিকদের তাদের কোন তথ্য দেয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানান। খবর পেয়ে গেবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন ও একই ইউ: যুবদলের সভাপতি সোহেল রানা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে সহযোহিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ ঘটনায় রাতেই পুলিশের এস আই বিজয় হোসেন ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) লিমন বোস জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে ৷