1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
দেড়শ বছরের ঐতিহ্য: এবার কি ‘সিটি কর্পোরেশন’ হচ্ছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিকূলতার মাঝেও সুরের জয়: তরুণ তবলচি শ্রাবণ হোসেনের গল্প ফুলগাজীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস ও মনমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ ন্যায় ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে হবে ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে। ২৬ শে মার্চ এক অনুষ্ঠানে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স পরশুরামে নানা আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস ও মনমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত শহীদের স্বপ্নে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ,স্বাধীনতা এদিবসে কক্সবাজারে খেলাঘরের বর্ণিল আয়োজন রৌমারীতে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ/সহ আ/টক ২ মাদারীপুরের কালকিনিতে ইউপি সদস্যের ছেলে আত্ম/হত্যা বগুড়ায় হ/ত্যা মাম/লার পলা/তক আসা/মি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফ/তার মেম্বার পদপ্রার্থী নূর মোহাম্মদ মোল্লা কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ভিডিও সংবাদ 👇👇

দেড়শ বছরের ঐতিহ্য: এবার কি ‘সিটি কর্পোরেশন’ হচ্ছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার

এম কে হাসান বিশেষ প্রতিবেদক 
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

এম কে হাসান বিশেষ প্রতিবেদক 

বিশ্বের দীর্ঘতম নিরবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকতের অধিকারী কক্সবাজার। দেড়শ বছরের প্রাচীন এই জনপদ এখন কেবল একটি জেলা শহর নয়, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম উদীয়মান অর্থনৈতিক হাব। তবে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, পর্যটনের বিপুল চাপ এবং মেগা প্রকল্প গুলোর বাস্তবতায় বর্তমান পৌর কাঠামো নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। এই প্রেক্ষাপটে কক্সবাজার পৌরসভাকে দেশের পরবর্তী ‘সিটি কর্পোরেশন’ হিসেবে উন্নীত করার দাবি এখন গণদাবিতে রূপ নিয়েছে। ঐতিহ্যের পথ বেয়ে আধুনিকতার পথে:- ১৮৬৯ সালের ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত এই পৌরসভাটি দেড় শতাধিক বছরের ইতিহাস ধারণ করে আছে। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত এর প্রশাসনিক বিবর্তন চোখে পড়ার মতো:
১৮৬৯:- ১ লা এপ্রিল যাত্রা শুরু কক্সবাজার পৌরসভার। ১৯৫৯:- টাউন কমিটিতে রূপান্তর। ১৯৭২:- স্বাধীনতার পর পুনরায় পৌরসভা হিসেবে পুনর্গঠন। বর্তমান ‘ক’ শ্রেণীর (প্রথম শ্রেণী) পৌরসভা হিসেবে সব প্রশাসনিক মানদণ্ড পূরণ করেছে । বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় অংশীজনদের মতে, কক্সবাজার পৌরসভা বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সাধারণ পৌরসভার সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে। এর প্রধান কারণগুলো হলো:-

১. পর্যটকের চাপ:- পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা বর্তমান জনবল দিয়ে প্রায় অসম্ভব।
২. মেগা প্রকল্পের কেন্দ্র বিন্দু:- মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এবং রেল সংযোগের ফলে কক্সবাজার এখন আন্তর্জাতিক মানের বিনিয়োগের উল্লেখ যোগ্য ক্ষেত্র।
৩. সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান:- সিটি কর্পোরেশন হলে আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেম, সু পরিকল্পিত আবাসন এবং টেকসই পরিবেশ রক্ষায় বড় বাজেটের প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সহজ হবে।

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা “কক্সবাজার কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো অপরিহার্য। সিটি কর্পোরেশন হলে বিনিয়োগকারীরা আশ্বস্ত হবেন এবং নাগরিক সেবার মান আমূল বদলে যাবে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা ও উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে:- এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ ও রয়েছে। প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণ, নতুন জনবল কাঠামো তৈরি এবং আর্থিক সক্ষমতার টেকসই মডেল দাঁড় করানো এখন সময়ের বড় পরীক্ষা। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও একটি যথাযথ ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি’ বা সম্ভাব্যতা সমীক্ষাই পারে এই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে। নাগরিক প্রত্যাশা:- সাধারণ নগর বাসীর প্রত্যাশা, সিটি কর্পোরেশন হলে কেবল ড্রেন পরিষ্কার বা রাস্তাঘাট মেরামত নয়, বরং কক্সবাজার একটি ‘স্মার্ট ও ডিজিটাল’ পর্যটন নগরী হিসেবে বৈশ্বিক পরিচিতি লাভ করবে। নাগরিক সেবায় আসবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। দেড়শ বছরের ঐতিহ্য আর আগামীর উজ্জ্বল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কক্সবাজার এখন প্রহর গুনছে নতুন এক ভোরের—যেখানে ‘পৌরসভা’ নয়, আত্ম প্রকাশ ঘটবে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশন-এর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট