
কালবৈশাখী ও শিলা বৃষ্টি ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি।
মো:শরিফ উদ্দিন মোল্লা জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট ।
হঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে লালমনিরহাট জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। আকস্মিক এ দুর্যোগে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে শুরু হওয়া তীব্র দমকা হাওয়া ও বড় আকারের শিলাবৃষ্টিতে জেলার সবকটি উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ঝড়ের তাণ্ডবে লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার অসংখ্য টিনের ঘরের চাল উড়ে গেছে এবং বহু গাছপালা উপড়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর গাছ পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় জেলার অনেক এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল। কৃষিখাতে ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে। বোরো ধান, ভুট্টা ও গমসহ বিভিন্ন ফসল ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লালমনিরহাট, কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি
রাহেবুল ইসলাম টিটুল, লালমনিরহাট প্রতিনিধি।
হঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে লালমনিরহাট জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। আকস্মিক এ দুর্যোগে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে শুরু হওয়া তীব্র দমকা হাওয়া ও বড় আকারের শিলাবৃষ্টিতে জেলার সবকটি উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ঝড়ের তাণ্ডবে লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার অসংখ্য টিনের ঘরের চাল উড়ে গেছে এবং বহু গাছপালা উপড়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর গাছ পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় জেলার অনেক এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল। কৃষিখাতে ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে। বোরো ধান, ভুট্টা ও গমসহ বিভিন্ন ফসল ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ঝড়ে বহু পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ায় তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমা আক্তার জাহান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঝড়ে বহু পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ায় তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমা আক্তার জাহান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরফিন হক জানান ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার আহ্বান জানানো হয়েছে।