1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
হোসেনপুরে হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যয় কৃষকরা পানির নিচে পাকা ধান, কাটার আগেই সর্বনাশের মুখে কৃষকরা - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই রাজবন্দী অ্যালায়েন্সের বগুড়া জেলা শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন। টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলায় ভারসাম্যহীন তরুণীকে ধর্ষণ শরীফবাগ বেইলি ব্রিজে মরণফাঁদ– ঝুঁকিতে সাধারণ মানুষের জনও জীবন চিরিরবন্দরে লক্ষ্মীপুর জনসংগঠন ঘোষণা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর নিয়ামতপুর থানায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ ই/য়া/বা সহ দুইজন গ্রে/প্তা/র নিয়ামতপুর থানায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ ইয়াবা সহ দুইজন গ্রেপ্তার হোসেনপুরে হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যয় কৃষকরা পানির নিচে পাকা ধান, কাটার আগেই সর্বনাশের মুখে কৃষকরা রাজশাহীর চন্দ্রিমায় র‍্যাবের অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ মাদক ব্যবসায়ী ভয়াবহ কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ফেনীতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার চরম বিপর্যয়, দ্রুত পুনরুদ্ধারে দিনরাত কাজ করছে পল্লী বিদ্যুৎ দিনের আলোয় রক্তাক্ত হামলা: সোনাগাজীতে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, যুবক মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে

ভিডিও সংবাদ 👇👇

হোসেনপুরে হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যয় কৃষকরা পানির নিচে পাকা ধান, কাটার আগেই সর্বনাশের মুখে কৃষকরা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

তপন চন্দ্র সরকার, স্টাফ রিপোর্টা

অকাল বৃষ্টি ও ব্যাপক জলাবদ্ধতায় কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। ধান কাটার মৌসুম শুরুর আগেই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন বিল ও নিচু জমিতে টানা বৃষ্টির পানি জমে থাকায় অনেক ক্ষেত এখন হাঁটু থেকে কোমর সমান পানির নিচে চলে গেছে। বিশেষ করে পানান বিলসহ আশপাশের এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি সংকটজনক আকার ধারণ করেছে। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকলে পাকা ধান অঙ্কুরিত হয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ গোবিন্দপুরের কৃষক রোস্তম আলী বলেন, বৈশাখ মাসে এমন বৃষ্টি জীবনে প্রথম দেখলাম। চারদিকে পানি, ধানক্ষেত তলিয়ে যাচ্ছে। এখন কী করবো বুঝতে পারছি না। বছরের পরিশ্রম চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “আগে বৈশাখ মাসে আমরা মাঠে ধান মাড়াই করতাম, খড় শুকিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতাম। এখন জমিতে হাঁটু পানি। এবার গরুর খড়েরও বিরাট সংকট হবে বুঝতেছি।একই এলাকার কৃষক সোহরাব মিয়া জানান, তার প্রায় ৪ কানি জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, এভাবে পানি থাকলে আর ধান ঘরে তোলা সম্ভব হবে না। সবকিছু চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় আরও কয়েকজন কৃষক জানান, একদিকে টানা বৃষ্টি, অন্যদিকে কৃষি শ্রমিকের অস্বাভাবিক উচ্চ মজুরি—এই দুই চাপে ধান কাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দৈনিক শ্রমিক মজুরি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা হওয়ায় অনেক কৃষকই শ্রমিক নিয়োগ দিতে পারছেন না। কৃষি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বৃষ্টির কারণে কাজের পরিবেশ খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। কৃষি শ্রমিক চাঁন মিয়া বলেন, এবার মজুরি একটু বেশি পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু ক্ষেতে পানি থাকায় ধান কাটতে খুব কষ্ট হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে মাঝে মাঝে কাজে যেতে পারছি না, কাজ করতেও কষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য আলাল মিয়া বলেন,এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। অনেক ক্ষেতেই ধান পেকে গেলেও কাটার সুযোগ নেই। দ্রুত সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা এবং ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয়ের উদ্যোগ না নিলে কৃষকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, কৃষিযান্ত্রিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে তাদের বছরের পরিশ্রমের ফসল মাঠেই নষ্ট হয়ে না যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট