
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫
মোহা আরিফ
উপজেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’- এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সন্ত্রাসবাদ দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক নির্মূলে আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজার ও দুর্গম পার্বত্য বান্দরবান এলাকায় মাদকপাচার রোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১৫ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গত ২০২০ সালের চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারায় আব্দুল মাজেদ (৪৭) এর বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু হয়। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকেই চতুর আসামি আব্দুল মাজেদ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপন করে আসছিল। বিষয়টি র্যাব-১৫ এর নজরে আসলে আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারে ছায়া তদন্ত এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন পূর্ব ওমখালী এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে র্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উল্লেখিত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ঘেরাও দিয়ে আব্দুল মাজেদ’কে আনুমানিক ২০:১০ ঘটিকায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আভিযানিক দলটি। গ্রেফতারকৃত আসামি আব্দুল মাজেদ (৪৭) পিতা: মৃত গোলাম সোবহান গ্রাম- গনি সওদাগর পাড়া, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, থানা- রামু, জেলা- কক্সবাজার এর স্থায়ী বাসিন্দা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরে মাদক বিস্তার রোধ এবং দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের পলাতক থাকার পথ রুদ্ধ করতে র্যাব-১৫ এর এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।