
নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে মানিকগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য “নেপাল কালচারাল ইভিনিং”।
জাহাঙ্গীর আলম স্টাফ রিপোর্টার মানিকগঞ্জ
নেপাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির আয়োজনে মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি হল রুমে এই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দুই দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের এক অনন্য মিলনমেলা তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এমপি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে। তিনি দুই দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক সহযোগিতা, পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপালের রাষ্ট্রদূত ধনোশ্যাম ভান্ডারী। মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন আরা সুলতানা। পুলিশ সুপার সারওয়ার আলম বিপিএম। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে যৌথ উদ্যোগ বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নেপালের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, সংগীত ও পরিবেশনার পাশাপাশি বাংলাদেশের শিল্পীরাও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। রঙিন পোশাক, লোকজ সুর এবং মনোমুগ্ধকর নৃত্যে পুরো অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো এবং তারা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে।
অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, এই ধরনের আয়োজন দুই দেশের মানুষের মাঝে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং উপস্থিত অতিথিরা আয়োজকদের প্রশংসা করেন।