
অপরাধীদের আতঙ্ক
এলাকাবাসীর স্বস্তি জামগড়ায় মানবিক পুলিশিংয়ের এক অনন্য নাম মোঃ তালেব (এসআই)
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঢাকা জেলা প্রতিনিধি
ঢাকা সাভারের আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া এলাকায় শিল্পাঞ্চল হওয়ায় একসময় যেখানেই কিশোর গ্যাং মাদক আর চাঁদাবাজির মতো অপরাধের ডালপালা ছিল বিস্তৃত। কিন্ত সেই চিত্র পাল্টে যেতে শুরু করেছে।এই পরিবর্তনের নেপথ্যের কারিগর হিসেবে যার নাম উঠে এসেছে, তিনি হলেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ তালেব।
আশুলিয়া জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পে যোগদানের পর থেকেই (এসআই) মোঃ তালেব–অপরাধীদের বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তার কঠোর অবস্হানের কারনে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ এবং ত্রাস সৃষ্টিকারী কিশোর গ্যাং সদস্যদের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান,তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ এলাকায় ছিনতাই ও মাদক কেনাবেচা উল্লখযোগ্য হারে কমেছে। (এসআই) মোঃ তালেব শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন,তিনি জামগড়াকে সুন্দর একটি আধুনিক ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিশেষ করে ফিটিং বা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার যে অপসংস্কৃতি কিছু অসাধু চক্রের মাধ্যমে প্রচলিত ছিল, তার মূলে কুঠারঘাৎ করেছেন তিনি।
মাদক নির্মূল চিহ্নিত মাদক স্পট গুলোতে ঝটিকা অভিযান। কিশোর গ্যাং দমন পাড়া মহল্লায় কিশোরদের আড্ডা বন্ধ ও আইনি ব্যবস্থা, চাঁদাবাজি মুক্ত এলাকা ফুটপাত বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ।
বিপদে পড়লে সাধারণ মানুষের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছেন এই নির্ভীক কর্মকর্তা। এলাকাবাসীর মতে (এসআই)মোঃ তালেব, অপরাধীদের কাছে যম হলেও সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত নম্র এবং বন্ধুসুলভ তার এই সাহসী ও স্বচ্ছ পুলিশিং কার্যক্রমের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথ সবখানেই প্রশংসায় ভাসছেন এই (এসআই) তালেব।
আশুলিয়া জামগড়ার একজন স্হানীয় ব্যবসায়ী বলেন,আগে অনেক অফিসার দেখেছি,কিন্ত এই (এসআই) তালেব স্যারের মতো অকুতোভয় আর সৎ পুলিশ অফিসার খুব কমই দেখা যায়। তিনি অপরাধীদের সাথে কোন ধরনের আপোষ করেন না। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় স্বস্তি।
এই (এসআই) মোঃ তালেব তার সুন্দর অভিযানের ধারা অব্যাহত রাখতে এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি মনে করেন,সাধারণ মানুষ এবং পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে কোন অপরাধীই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না
একটি অপরাধমুক্ত আধুনিক আশুলিয়ায় জামগড়া গড়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছেন, তা বাস্তবায়িত হলে এই শিল্পাঞ্চল দেশের জন্য এক রুল মডেল হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।