
কেশবপুরসহ সারা দেশেই এটা কৃষকের বড় একটা সমস্যা।
বাবলু হাসান কেশবপুর প্রতিনিধি
ব্যবসায়ীরা ৪১ কেজিতে ১ মণ ধরে কিন্তু দাম দেয় ৪০ কেজির*। এই ১ কেজি তারা “ধলতা” বা “কাটতি” নামে কেটে নেয়।
*কীভাবে ফাঁকি দেয়:*
১/ *ধলতার নামে ১ কেজি বেশি* – সরকারি নিয়মে ১ মণ = ৪০ কেজি। কিন্তু আড়তদাররা বলে বস্তা, ময়লা, আদ্রতা বাবদ ১ কেজি কাটবে। তাই ৪১ কেজি মাল দিলে ৪০ কেজির দাম পাবেন।
৩/*ওজনে কারচুপি* – অনেক সময় ডিজিটাল মিটারের সাথেও কারসাজি করে। ৪১ কেজি দেখালেও আসলে ৪২ কেজি নিয়ে নেয়।
৩/
*দামের কারসাজি* – ধান ভেজা, চিটা আছে, কালো দাগ—এই অজুহাতে মণ প্রতি ৫০-১০০ টাকা কম দেয়। কৃষক বাধ্য হয়ে বিক্রি করে কারণ বাড়ি ফেরত নিলে গাড়ি ভাড়া লস।
*কেশবপুরের হিসাব:*
ধরেন ধানের দাম ১২০০ টাকা মণ।
– ৪০ কেজি ধানের দাম: ১২০০ টাকা
– কৃষক দিলো ৪১ কেজি, কিন্তু পেলো ১২০০ টাকা
– মানে প্রতি কেজি পড়লো ১২০০ ÷ ৪১ = ২৯.২৬ টাকা, অথচ সরকারি হিসেবে ১২০০ ÷ ৪০ = ৩০ টাকা পাওয়ার কথা।
– ১০০ মণে কৃষকের লস: ১০০ × ৩০ = ৩০০০
– কৃষক রা বলে এ লস আর যেন না করতে হয় *সেজন্য সরকারের কাছে বা প্রশাসন এর কাছে দাবি খুব দ্রুত একটি সমাধান কৃষকরা জেনো পাই