
আসসালামু আলাইকুম।
আমার প্রিয় এলাকাবাসী, ও আমার হৃদয়ের বন্ধুদের সালাম ও ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন।
মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ঢাকা জেলা প্রতিনিধি।
আমার প্রিয় এলাকাবাসী ও হৃদয়ের বন্ধুদের প্রতি সালাম ও ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে কিছু অসমাপ্তির কথা তুলে ধরার শ্রেষ্ঠা করছিঃ—,
আমি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, ধামরাই উপজেলা অন্তর্গত ৪ নং যাদবপুর ইউনিয়নের একজন অবহেলিত মা বাবার সন্তান, কিন্তু দঃখের বিষয় যে আমি কেন এ পৃথিবীতে জন্ম গ্রহন করিলাম।
কারণ,আমার বাবা ছিলো একজন দিনমজুর শ্রমজীবী, আমি তখন ছিলাম এতই ছোট বুঝতে সক্ষমতা ছিল না, কিন্ত আমার বাবা ছিলেন একজন পরোপকারী লোক তাকে সবাই ঠকিয়ে এসেছেন কিন্ত তিনি বুজতে পারেননী, সেই লোকটি আমার বাবা, কিন্ত তিনি একজন দিনমজুর, তবুও এলাকার কিছু গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কথা মতে ৪ নং যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন করার জন্য জোড়ালো ভাবে কাজ করেন এলাকাবাসী।
নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যানের চেয়েও বেশি ভোট পেয়ে ওয়ার্ডে সদস্য পদ লাভ করেন। তবে তিনি সততার ন্যায় কাজ করে শুন্যজীবন হয়ে দাড়ালেন। এরই মাঝে আমি লেখাপড়া শেষ করতে পাড়িনী, জীবনের যুদ্ধের ও সংস্বার টিকিয়ে রাখার জোর শ্রেষ্টা চালিয়ে আমিও অন্যের সাথে লেখাপড়া ও দিনমজুরি কাজ করতে থাকলাম,যেহেতু একমাত্র আমিই ছিলাম বড় ছেলে,দুঃখ দুর্দশায় পড়েও কোন মতে এস এস সি পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করি, আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি ২য় বিভাগের উত্তীর্ণ হই,তখন কার সময় যাদবপুর ভোবন মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ জনই ২য় বিভাগে বিজয় হই।তখন যদিও আমার বাবা মার ঘড়ে অভাব অনটন ছিল তবুও ছিলো অনেক আনন্দ।
ছোট ছোট তিনটি বোন ছোট্ট একটি ভাই এদেরকে নিয়ে অনেক আনন্দ ছিলাম, কিন্ত দিনে একবেলায় খাবার মিলতো কি না তবুও ছিলো অনেক আনন্দ।
যাইহো আমি নিজের এইস এস সির পরে এনজিওতে চাকরি করি, সেখান থেকে আমার লক্ষ ছিল মানবসেবায় কাজ করিব, সেই লক্ষ্যকে ধারণ দীর্ঘ দিন যাবত কাজ করে সেই এনজিওর চেয়ারম্যান সাহেব আমাকে বা আমার কাজে খুশি হয়ে একটি শাখার ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তখন মনে হল আমি হয়তো ভালো কাজই করছি, বছর কয়েক যাওয়ার পর ৭ টি অফিসের এ্যারিয়া ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে এরই মধ্যে এনজিও সংস্হার চেয়ারম্যান সাহেব বলেন, আপনি নিজের নামেই এনজিও লাইসেন্স করেন। আমি বলি এ কি করে সম্ভব, তখন আমার স্যার বলেন, আমি আছি আপনার সাথে এগিয়ে যান।
তখন থেকেই শুরু হয়ে গেল এনজিও লাইসেন্সের কাজ ও অফিস তদারকি, হয়েগেল এনজিওর নিবন্ধন, শুরু হল অফিসের কার কর্ম। সেই ১৯৯১ সালের এনজিও, কিন্ত আমাদের এলাকার বেশ কিছু লোকের কারনে ২০০১ সাল থেকে আর সামনের দিকে এগুতে দিলে না এরই মধ্যে ৯৮ এর বন্যায় একটু ক্ষতিগ্রস্ত হলাম তবুও ঠিক দাড়িয়ে ছিলাম, প্রতিটি সদস্যদের মাঝে সেই ৯৮ সালে বন্যার পর সবাইকে সহযোগিতার জন্য হাত বাড়ীয়ে দিয়েও ২০০১ সালে এসে দাড়াতে পারিলাম না।
অবশেষে, আমি চাকরি ১২ টি শাখা অফিস বিলুপ্তি ঘোষনা করে প্রতিটির সদস্যদের মাঝে টাকা পয়সা হিসেব বুঝিয়ে দিয়ে নিজে পাড়ি খুজি চাকরির সন্ধানে।
হল চাকরি বেশ ভালোই ছিলাম ছোট ছোট ভাই বোনদের নিয়ে, একটু দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আসার মাত্রই শুরু হলো আমার বাবা মার ইচ্ছা যে ওনাদের কাছে থেকেই বাড়ী থেকে যে কোন চাকরি করি সততার ন্যায়, কিন্তু বাবা মার ইচ্ছায় হয়ে গেল ছোট্ট একটি চাকরি দিন আনতে পান্তা ফোরায় তবুও বেশ ভালো আছি যেহেতু বাবা মার কাছে রয়েছি, কিন্ত ভাগ্যটা হয়তো অনেক ভালো কয়েক বছর চাকরি করার পর কিছু লোকের দ্বিশেহারা পড়ে পড়ে গেলাম। তবুও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। যারা আমাকে দুর দুর করেছেন, আমার বাবা মাকে ও অবহেলার দৃষ্টিতে রেখেছেন, এরই মধ্যদিয়ে আমি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ছেলে সন্তান মা বাবা শ্রী ও সকলকেই নিয়ে বেশ রয়েছি।এখন আমি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর “” সাধারণ সম্পাদক “” ঢাকা গাজীপুর টাঙ্গাইল জেলা সমন্বয় কমিটি।
দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ ও জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা এর “” ঢাকা জেলার প্রতিনিধি “”।
আলহামদুলিল্লাহ আমার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিচালক ও সভাপতি মোঃ উজ্জল খান এর সহযোগীতায় এবং দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ ও জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা এর প্রকাশক সম্পাদক ও সহ সম্পাদক এবং বার্তা সম্পাদক কৃপায় ভালো আছি।
সেই সাথে অত্র এলাকার জনসাধারণের কাছে দোয়া কামনা করছি, আর যে ভাবে সকলের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেবা মূলক ভাবে পাশে দাড়িয়ে রয়েছি, সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।
সমাজে মানুষে মানুষের মধ্যে মানবিকতার চেয়ে প্রতিযোগিতার প্রদর্শনীর প্রভাব বেশী কে কার থেকে এগিয়ে যাবে এই প্রতিযোগিতার দৌড় হাড়িয়ে যাচ্ছে সততা, ভালোবাসা সহানুভূতির মতো গুণাবলী। মানুষ এখন অন্যের ব্যর্থতায় আনন্দ উল্লাস খুজে নেয়।সম্পর্কের ব্যাড়াজালে এসে স্বার্থ, আর নৈতিকতার হুকুমের জায়গা দখল করছে এ আমাদের সভ্য সমাজ।
আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি খুব অবাক দৃষ্টিতে লক্ষ করে দেখি নানা কারনে অকারণ আমাদের শান্তপ্রিয় মানুষের সহজ-সরল মানুষের মাঝে কিছু অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে সমাজে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সাংঘাতিক ভাবে প্রভাব যেন না পড়ে।
আমারা যার যার নিজ এলাকার কোন সুসন্তান যেন সম্মিলিত ভাবে শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিতে আলোকিত হোক আমাদের সমাজ।
দৈনিক প্রভাতি বাংলাদেশ ও জাতীয় সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা নিউজ চোখ রাখুন সত্য ন্যায়ের কথা তুলে ধরোন।
ধন্যবাদ সকল বন্ধুদের
ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় বা সমাপ্তি করছি আবেগর ঘনঘটা।