
ফরিদপুরকে হারিয়ে সেমিফাইনালে মুন্সীগঞ্জের পিপিআইএমএসসি: জেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ারঃ
আমজাদ হোসেন মিঠু,
জেলা প্রতিনিধি (মুন্সীগঞ্জ) |
মুন্সীগঞ্জ জেলার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক গৌরবময় অর্জনের সাক্ষী হলো ১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার। প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা বিভাগ (দক্ষিণ) এর ২য় কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে শক্তিশালী ফরিদপুর জেলা দলকে ৬ রানের রোমাঞ্চকর ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে মুন্সীগঞ্জের পিপিআইএমএসসি।
শরীয়তপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয়-পরাজয়ের দোলাচলে থাকা ম্যাচে অসাধারণ দলগত নৈপুণ্য, দৃঢ় মনোবল এবং সুন্দর পরিকল্পনার মাধ্যমে পিপিআইএমএসসি কাঙ্ক্ষিত বিজয় ছিনিয়ে আনে। খেলা শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে চলে সৌজন্যমূলক করমর্দন,
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রতিনিধি হিসেবে এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের বিজয় জেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং ভবিষ্যতে ক্রীড়া চর্চায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।
এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, কোচ, খেলোয়াড়, দলনেতা এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থা।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্যাহ খেলোয়াড়দের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা, উৎসাহ ও মনোবল দৃঢ় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ম্যাচের প্রতিটি ধাপে তিনি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস জোগান এবং শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার সাহস প্রদান করেন।
বিজয়-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় উচ্ছ্বসিত অধ্যক্ষ শরীফ উল্যাহ বলেন,
“এই সাফল্য কোনো একক ব্যক্তির কৃতিত্ব নয়। এটি আমাদের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, কঠোর পরিশ্রম ও সুপরিকল্পিত দলগত কর্মকৌশলের ফল। দলগত ঐক্য ও আত্মবিশ্বাসই আমাদের এই ঐতিহাসিক বিজয় এনে দিয়েছে।”
মুন্সীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পিপিআইএমএসসি সেমিফাইনালেও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবে এবং জাতীয় পর্যায়ে জেলার মুখ আরও উজ্জ্বল করবে। এই ঐতিহাসিক অর্জনে বর্তমানে সমগ্র মুন্সীগঞ্জবাসী গর্বিত ও আনন্দিত।