
বাসাইলে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত
মোহাম্মদ নাসির মিয়া, বাসাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
“মেধা, বিজ্ঞান, উদ্ভাবনের দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), SEDP-এর উদ্যোগে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইকবাল হোসেন।
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আল আমিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাসাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টু প্রমুখ।
উদ্বোধন শেষে অতিথিরা উপজেলার ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে উদ্ভাবনী স্টল পরিদর্শন করেন। স্টল পরিদর্শন কালে তরুণ উদ্ভাবকদের মেধা ও স্বপ্নের মেলা সম্পর্কে তাদের অর্জন করা অভিজ্ঞতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সকল অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং তাঁদের সমাজোপযোগী ও পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, সরকারি জোবেদা রুবেয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খান, উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী খান, বাসাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানাসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, উপজেলা পর্যায়ের এই প্রদর্শনীতে মোট ১৪টি স্টল স্থান পেয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিটি দলে তিনজন শিক্ষার্থী ও দুজন শিক্ষক নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম চারটি ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
বক্তারা বলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞান, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন চিন্তা ও সৃজনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নে উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
প্রদর্শনী শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী ও সেরা উদ্ভাবনী ধারণার অধিকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়