1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
মেসার্স বুশরা ব্রিকস, নিয়ম  ভেঙ্গে তার নিজস্ব নিয়মেই চলছে।মানছেনা কোনো ধরনের প্রচলিত আইন - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা নি/হ/ত ৫ জনের বাডি নোয়াখালী সেনবাগে লালমোহনে গলায় ফাঁ/স দিয়ে ২ সন্তানের জনকের আ/ত্ম/হ/ত্যা। solta Super দুই নম্বর লবন বিক্রির বি/রু/দ্ধে অ/ভি/যো/গ। মা ২৬শে মার্চ ২০২৬- এ রাজবাড়ী ফেরীঘাটে বাস ডুবির ঘঠনা। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আব্দুল জাব্বার খানঃ চাঁদমুহা সরলপুর যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন যশোরের বেনাপোলে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান উপলক্ষে বুজতলায় ধর্মীয় আয়োজন আলীকদম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার সালথায় পাট ও চৈতালী ফসলের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ভিডিও সংবাদ 👇👇

মেসার্স বুশরা ব্রিকস, নিয়ম  ভেঙ্গে তার নিজস্ব নিয়মেই চলছে।মানছেনা কোনো ধরনের প্রচলিত আইন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

মো: ইমরান মিয়াজেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী জেলা

প্রো:মনিরুজ্জামান লিটু।জামুরা লাউকাঠী পটুয়াখালী  ইটভাটা গুলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। ইটভাটা গুলো নিম্ন  মানের চিমনি ও নিষিদ্ধ লাকরি,ব‍্যবহার করে ইট পুড়িয়ে যাচ্ছে যার ফলে পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে,কিছু ইটভাটার ম‍্যানেজার সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের পরিবেশের ছাড়পএ সহ সকলধরনের লাইনেন্স আপডেট আছে কি-না তারা সঠিক কোন জবাব দিতে পারে নি।তার বিপরিতে সমন্নয়ক সালমান এর নাম উল্লেখ করেন।তাদের কাছে পরিবেশ বা প্রশাসন এর কোন লোক আসে কি-না জানতে চাওয়ায়,তারা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বা কর্মচারী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা বা কর্মচারী কেউ  ইটভাটা গুলো ভিজিট করে নাই। ভিজিট করা ছাড়া কিভাবে ইটভাটা গুলোকে  ছাড়পএ দিল?শিশু শ্রমিক দের প্রসঙ্গে কথা বললে তারা বলে অল্প টাকায় পাওয়া যায় তাই মালিক পক্ষ তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এই ভাটাগুলোতে ইট তৈরির কাজে কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) এবং নদীর চরের মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, উপকূলীয় এলাকায় এভাবে মাটি খননের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যার প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ভাটার কালো ধোঁয়া এবং ধুলাবালি এলাকার প্রাণ-প্রকৃতিকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।স্থানীয়দের অভিযোগ,  এই ভাটা গুলতে নিম্ন মানের  চিমনি  দিয়ে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া সরাসরি লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এবং  এই ইটভাটা গুলোয় মালবাহী ট্রলি চলার কারনে সাধারন জনগনের চলাচলের রাস্তা নষ্ট করছে এতে বর্ষা এবং শূস্ক মৌসুমে ধুলাবালির কারনে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।এছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুস সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এখন চরমে।ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী নদীর তীর ও সরকারি জমিতে ইটভাটা স্থাপন দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও এই প্রতিষ্ঠানগুলো  তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ জনগণ এই অবৈধ ও জনস্বার্থ বিরোধী কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট