
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
ফেনী জেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের মধুয়াই গ্রামে গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, ফেনী জেলা শাখা।মানবিক এই উদ্যোগে সহযোগিতা করেন কুয়েত প্রবাসী মোঃ ওসমান গণী, মোঃ ফারুকুল ইসলাম (তাকিয়া রোড, ফেনী) এবং ফেনীর ইসলামপুর রোডের ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস।সম্প্রতি আয়োজিত এ বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে এলাকার অসহায়, নিম্ন আয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে নতুন বস্ত্র উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়। এতে মধুয়াই গ্রামের অনেক দরিদ্র পরিবার উপকৃত হন।আয়োজনটি ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে আনন্দ ও সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যায়। মানবিক এই উদ্যোগকে এলাকাবাসী অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার দাগনভূঞা উপজেলার সহ-সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম, ফেনী জেলা অফিসার জনাব উসমান গণী, সুজন, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মোঃ ইব্রাহিম মিয়াজী, আলাউদ্দিন ভুঁইয়া সহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সমাজের গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মহৎ কাজ এবং এটি মানবিক দায়িত্বের অংশ।তারা উল্লেখ করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময় দেশের মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের সহযোগিতায় এমন মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।বক্তারা আরও বলেন, সমাজে এখনও অনেক মানুষ রয়েছে যারা দারিদ্র্য ও নানা সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। এতে করে সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ আরও জোরদার হবে।বস্ত্র পেয়ে উপকৃত স্থানীয় অনেকেই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি এবং এতে তাদের অনেক উপকার হয়েছে।অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা ভবিষ্যতেও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় গরীব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সমাজের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।